নারায়ণগঞ্জবন্দর
বন্দরে আওয়ামী লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা পৃথক মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— বন্দর থানার কেওঢালা এলাকার আলেক চাঁন মিয়ার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম (৪৭) এবং একই এলাকার আফাজ উদ্দিন মিয়ার ছেলে ও ধামগড় ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল (৩৫)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম মদনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সালামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং রাসেল ধামগড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাছুমের ভাতিজা।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকালে বন্দরের খেয়াঘাট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। ওই হামলায় সরাসরি সম্পৃক্ততা ও উসকানি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বন্দর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ এর আওতায় এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের দুই প্রভাবশালী নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা পৃথক মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— বন্দর থানার কেওঢালা এলাকার আলেক চাঁন মিয়ার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম (৪৭) এবং একই এলাকার আফাজ উদ্দিন মিয়ার ছেলে ও ধামগড় ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল (৩৫)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম মদনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সালামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং রাসেল ধামগড় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাছুমের ভাতিজা।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকালে বন্দরের খেয়াঘাট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ওপর আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। ওই হামলায় সরাসরি সম্পৃক্ততা ও উসকানি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
বন্দর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ এর আওতায় এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
লোড হচ্ছে...