নারায়ণগঞ্জ
সিদ্ধিরগঞ্জে দিনমজুরের মরদেহে নির্যাতনের আলামত
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাইলো গেট এলাকায় সাদ্দাম সরদার (৩৫) নামে এক দিনমজুরের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও দগ্ধের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে সাইলো গেট সংলগ্ন জাকির হোসেনের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদ্দাম সরদার কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার রফারদিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের সাইলো গেট এলাকায় ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতেন এবং কুলি হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা যায়, বুধবার সকালে সাদ্দামের অসুস্থতার খবর পেয়ে তার বাবা কুমিল্লা থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে আসেন। পরে তাকে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে সাদ্দাম চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুনরায় সাইলো গেট এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
রাত ৮টার দিকে তাকে সেখানে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে রাত ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ সাদ্দামের মরদেহে ডান হাতের ঘাড় থেকে কবজি পর্যন্ত ফোলা, কবজির ওপরের অংশে চামড়া উঠে যাওয়া, পেটের দুই পাশে কালচে আঘাতের দাগ এবং দুই পায়ের গোড়ালি থেকে হাঁটু পর্যন্ত একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায়। এছাড়া নিহতের বাবার আচরণও কিছুটা রহস্যজনক ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ জানান, অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা সাদ্দামকে নির্যাতন করে গুরুতর আহত করে থাকতে পারে। এসব আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের সরকারি ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক সোয়া ১২টার দিকে সাইলো গেট সংলগ্ন জাকির হোসেনের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদ্দাম সরদার কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার রফারদিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের সাইলো গেট এলাকায় ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতেন এবং কুলি হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে জানা যায়, বুধবার সকালে সাদ্দামের অসুস্থতার খবর পেয়ে তার বাবা কুমিল্লা থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে আসেন। পরে তাকে নারায়ণগঞ্জের খানপুর ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে সাদ্দাম চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুনরায় সাইলো গেট এলাকায় ফিরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
রাত ৮টার দিকে তাকে সেখানে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে রাত ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ সাদ্দামের মরদেহে ডান হাতের ঘাড় থেকে কবজি পর্যন্ত ফোলা, কবজির ওপরের অংশে চামড়া উঠে যাওয়া, পেটের দুই পাশে কালচে আঘাতের দাগ এবং দুই পায়ের গোড়ালি থেকে হাঁটু পর্যন্ত একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায়। এছাড়া নিহতের বাবার আচরণও কিছুটা রহস্যজনক ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ জানান, অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা সাদ্দামকে নির্যাতন করে গুরুতর আহত করে থাকতে পারে। এসব আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের সরকারি ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
লোড হচ্ছে...