নারায়ণগঞ্জসোনারগাঁও
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি ‘হত্যা’
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে সাবরিয়া আক্তার অনিয়া (৩০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে সোনাপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়ির একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বিষয়টিকে প্রাথমিক দৃষ্টিতে আত্মহত্যা বললেও নিহতের পরিবারের দাবি—এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৩ বছর আগে কাঁচপুর এলাকার সায়েম মিশেলের (৩৫) সঙ্গে সাবরিয়া আক্তার অনিয়ার বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে দুটি সন্তান রয়েছে। তবে বেশ কিছু দিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। সোমবার রাতে খবর পেয়ে নিহতের মা মোছা. ফেরদৌস আরা মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তাকে নিথর অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত কাঁচপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাবরিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই মৃত্যুকে কেবল ‘অপমৃত্যু’ মানতে নারাজ নিহতের পরিবার। মা ফেরদৌস আরার দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে সাবরিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। এই ঘটনায় তিনি সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল সম্পন্ন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিববুল্লাহ জানান, ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে সাবরিয়া আক্তার অনিয়া (৩০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে সোনাপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়ির একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বিষয়টিকে প্রাথমিক দৃষ্টিতে আত্মহত্যা বললেও নিহতের পরিবারের দাবি—এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৩ বছর আগে কাঁচপুর এলাকার সায়েম মিশেলের (৩৫) সঙ্গে সাবরিয়া আক্তার অনিয়ার বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে দুটি সন্তান রয়েছে। তবে বেশ কিছু দিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। সোমবার রাতে খবর পেয়ে নিহতের মা মোছা. ফেরদৌস আরা মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তাকে নিথর অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত কাঁচপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাবরিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই মৃত্যুকে কেবল ‘অপমৃত্যু’ মানতে নারাজ নিহতের পরিবার। মা ফেরদৌস আরার দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে সাবরিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করার পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। এই ঘটনায় তিনি সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল সম্পন্ন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিববুল্লাহ জানান, ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। বর্তমানে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
লোড হচ্ছে...