নারায়ণগঞ্জসদর
মৌচাকে সাত খুনের পরিবারের আর্তনাদ
‘মরে যাওয়ার আগে কি বিচার দেখে যেতে পারব না?’
NHP NewsView

নিউজভিউ
এক যুগেও মুছে যায়নি স্বজন হারানোর ক্ষত, বরং দীর্ঘ প্রতীক্ষায় সেই যন্ত্রণা এখন ক্ষোভে রূপ নিয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মহাসড়কের মৌচাক এলাকায় ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে দাঁড়িয়েছিলেন সাত খুনের শিকার পরিবারগুলোর সদস্যরা। অপহরণের পর নির্মম হত্যা এবং লাশ নদীতে ডুবিয়ে দেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনার সব প্রমাণ থাকার পরও কেন রায় কার্যকর হচ্ছে না; এই প্রশ্নই এখন তাদের মুখে।
মানববন্ধনে নিহত জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী শামসুন্নাহার আক্তার নূপুর তার শিশু সন্তান রোজা আক্তার জান্নাতকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। তিনি আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমার মেয়েটা জন্মের পর থেকে বাবাকে দেখেনি। ও যখন অন্য শিশুদের বাবার হাত ধরে হাঁটতে দেখে, তখন ডুকরে কেঁদে ওঠে। যারা ওকে এতিম করল, তাদের শাস্তি কি ও দেখে যেতে পারবে না?"
সাত খুনের শিকার কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি অভিযোগ করেন, আদালতের সব পর্যায়ে অপরাধ প্রমাণিত হলেও রায় কার্যকর হতে দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। তিনি বর্তমান সরকারের কাছে আবেদন জানান, যাতে দ্রুত এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারগুলোকে ন্যায়বিচার দেওয়া হয়।
নিহত তাজুল ইসলামের বৃদ্ধ বাবা আবুল খায়েরের কণ্ঠে ঝরে পড়ছিল জীবন সায়াহ্নের ক্লান্তি। তিনি বলেন, "জীবিত অবস্থায় কি ছেলের খুনিদের ফাঁসি দেখে যেতে পারব? এই শঙ্কা নিয়ে আর কতদিন বাঁচব?"
সিদ্ধিরগঞ্জের এই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া প্রতিটি মানুষের চোখেই ছিল জল আর মনে ছিল একটাই চাওয়া, উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়। পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, এই বিচারের দৃষ্টান্তমূলক বাস্তবায়নই কেবল ভবিষ্যতে এমন জঘন্য অপরাধ রোধ করতে পারে।
এক যুগেও মুছে যায়নি স্বজন হারানোর ক্ষত, বরং দীর্ঘ প্রতীক্ষায় সেই যন্ত্রণা এখন ক্ষোভে রূপ নিয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মহাসড়কের মৌচাক এলাকায় ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে দাঁড়িয়েছিলেন সাত খুনের শিকার পরিবারগুলোর সদস্যরা। অপহরণের পর নির্মম হত্যা এবং লাশ নদীতে ডুবিয়ে দেওয়ার মতো নৃশংস ঘটনার সব প্রমাণ থাকার পরও কেন রায় কার্যকর হচ্ছে না; এই প্রশ্নই এখন তাদের মুখে।
মানববন্ধনে নিহত জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী শামসুন্নাহার আক্তার নূপুর তার শিশু সন্তান রোজা আক্তার জান্নাতকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। তিনি আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আমার মেয়েটা জন্মের পর থেকে বাবাকে দেখেনি। ও যখন অন্য শিশুদের বাবার হাত ধরে হাঁটতে দেখে, তখন ডুকরে কেঁদে ওঠে। যারা ওকে এতিম করল, তাদের শাস্তি কি ও দেখে যেতে পারবে না?"
সাত খুনের শিকার কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি অভিযোগ করেন, আদালতের সব পর্যায়ে অপরাধ প্রমাণিত হলেও রায় কার্যকর হতে দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। তিনি বর্তমান সরকারের কাছে আবেদন জানান, যাতে দ্রুত এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরিবারগুলোকে ন্যায়বিচার দেওয়া হয়।
নিহত তাজুল ইসলামের বৃদ্ধ বাবা আবুল খায়েরের কণ্ঠে ঝরে পড়ছিল জীবন সায়াহ্নের ক্লান্তি। তিনি বলেন, "জীবিত অবস্থায় কি ছেলের খুনিদের ফাঁসি দেখে যেতে পারব? এই শঙ্কা নিয়ে আর কতদিন বাঁচব?"
সিদ্ধিরগঞ্জের এই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া প্রতিটি মানুষের চোখেই ছিল জল আর মনে ছিল একটাই চাওয়া, উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়। পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, এই বিচারের দৃষ্টান্তমূলক বাস্তবায়নই কেবল ভবিষ্যতে এমন জঘন্য অপরাধ রোধ করতে পারে।
লোড হচ্ছে...