অর্থ-বাণিজ্য
বাংলাদেশ শ্রম আইন অধ্যাদেশ ২০২৫
আমরা সরকারের সংশোধনী অধ্যাদেশের ধারাগুলো পর্যালোচনা করছি: মোহাম্মদ হাতেম
NewsView

নিউজ ভিউ
বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং পোশাক শিল্পের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নারায়ণগঞ্জে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিট পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিকেএমইএ’র পরিচালনা পর্ষদ ও নারায়ণগঞ্জ জোনের সদস্যদের অংশগ্রহণে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত বিকেএমইএ’র প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

সভায় শ্রম আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী ও নতুন অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়।
নেতৃবৃন্দ আলোচনা করেন, এই নতুন আইন দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী তৈরি পোশাক খাতসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যে কী ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে কারখানার কর্মপরিবেশ, মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে এই আইনের ভূমিকা নিয়ে বিকেএমইএ সদস্যরা গুরুত্বের সাথে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, "শ্রম আইনের যেকোনো পরিবর্তন শিল্পের উৎপাদনশীলতা এবং শ্রমিকদের অধিকার—উভয় ক্ষেত্রেই ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। আমরা সরকারের সংশোধনী অধ্যাদেশের ধারাগুলো পর্যালোচনা করছি যাতে এটি শিল্পের চাকা সচল রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মানদণ্ড পূরণ করতে পারে।"
উক্ত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সহ-সভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার সোহেল এবং সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ, মোহাম্মদ রাশেদ এবং সংগঠনের পরিচালকবৃন্দ যথাক্রমে জামাল উদ্দিন মিয়া, মোহাম্মদ জাকারিয়া ওয়াহিদ, রতন কুমার সাহা, বেলায়েত হোসেন, শাহরিয়ার সাঈদ, মোহসিন রাব্বানি ও রাকিব সোবহান মিয়া।
মতবিনিময় সভায় বিকেএমইএ’র নারায়ণগঞ্জ জোনের সাধারণ সদস্যরাও উপস্থিত থেকে খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন চ্যলেঞ্জ ও সংকট নিরসনে তাঁদের মূল্যবান পরামর্শ ও মতামত প্রদান করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, বিকেএমইএ’র এই পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে যথাযথভাবে পৌঁছালে তা নিট পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক হবে।
বাংলাদেশ শ্রম আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং পোশাক শিল্পের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নারায়ণগঞ্জে এক বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিট পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিকেএমইএ’র পরিচালনা পর্ষদ ও নারায়ণগঞ্জ জোনের সদস্যদের অংশগ্রহণে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত বিকেএমইএ’র প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

সভায় শ্রম আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী ও নতুন অধ্যাদেশের বিভিন্ন ধারা নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়।
নেতৃবৃন্দ আলোচনা করেন, এই নতুন আইন দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী তৈরি পোশাক খাতসহ সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যে কী ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে কারখানার কর্মপরিবেশ, মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে এই আইনের ভূমিকা নিয়ে বিকেএমইএ সদস্যরা গুরুত্বের সাথে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, "শ্রম আইনের যেকোনো পরিবর্তন শিল্পের উৎপাদনশীলতা এবং শ্রমিকদের অধিকার—উভয় ক্ষেত্রেই ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। আমরা সরকারের সংশোধনী অধ্যাদেশের ধারাগুলো পর্যালোচনা করছি যাতে এটি শিল্পের চাকা সচল রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মানদণ্ড পূরণ করতে পারে।"
উক্ত মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, সহ-সভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার সোহেল এবং সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ, মোহাম্মদ রাশেদ এবং সংগঠনের পরিচালকবৃন্দ যথাক্রমে জামাল উদ্দিন মিয়া, মোহাম্মদ জাকারিয়া ওয়াহিদ, রতন কুমার সাহা, বেলায়েত হোসেন, শাহরিয়ার সাঈদ, মোহসিন রাব্বানি ও রাকিব সোবহান মিয়া।
মতবিনিময় সভায় বিকেএমইএ’র নারায়ণগঞ্জ জোনের সাধারণ সদস্যরাও উপস্থিত থেকে খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন চ্যলেঞ্জ ও সংকট নিরসনে তাঁদের মূল্যবান পরামর্শ ও মতামত প্রদান করেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, বিকেএমইএ’র এই পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে যথাযথভাবে পৌঁছালে তা নিট পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক হবে।
লোড হচ্ছে...