নারায়ণগঞ্জসদর
একুশের শ্রদ্ধায় রঙ-তুলিতে ফুটেছে শহীদ মিনার
NewsView

নিউজভিউ
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মূল স্তম্ভ ও চারপাশ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করার কাজ শেষ হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই শহীদ মিনার এলাকায় সাজসাজ রব দেখা যায়। প্রাঙ্গণের সৌন্দর্য বাড়াতে রঙ-তুলি হাতে নেমে পড়েন নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। তাঁরা চত্বরের মেঝে ও দেয়ালে সাদা, কালো ও লাল রঙে ফুটিয়ে তোলেন বৈচিত্র্যময় আলপনা এবং বর্ণমালা।

শৈল্পিক এই কর্মযজ্ঞে অংশ নেওয়া চারুকলা ইনস্টিটিউটের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সজিব ঘোষ বলেন, “একুশের চেতনাকে অন্তরে ধারণ করেই আমরা প্রতি বছর এখানে আলপনা আঁকি। এই তুলির আঁচড় কেবল সৌন্দর্য বৃদ্ধি নয়, বরং ভাষা শহীদদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। এই রঙগুলোর মাধ্যমে আমরা শোক ও বিজয়ের শক্তিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।”
জেলা প্রশাসনের সূচি অনুযায়ী, আজ রাত ১২টা ১ মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে মূল স্তম্ভ ও চারপাশ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করার কাজ শেষ হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই শহীদ মিনার এলাকায় সাজসাজ রব দেখা যায়। প্রাঙ্গণের সৌন্দর্য বাড়াতে রঙ-তুলি হাতে নেমে পড়েন নারায়ণগঞ্জ চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। তাঁরা চত্বরের মেঝে ও দেয়ালে সাদা, কালো ও লাল রঙে ফুটিয়ে তোলেন বৈচিত্র্যময় আলপনা এবং বর্ণমালা।

শৈল্পিক এই কর্মযজ্ঞে অংশ নেওয়া চারুকলা ইনস্টিটিউটের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী সজিব ঘোষ বলেন, “একুশের চেতনাকে অন্তরে ধারণ করেই আমরা প্রতি বছর এখানে আলপনা আঁকি। এই তুলির আঁচড় কেবল সৌন্দর্য বৃদ্ধি নয়, বরং ভাষা শহীদদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। এই রঙগুলোর মাধ্যমে আমরা শোক ও বিজয়ের শক্তিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।”
জেলা প্রশাসনের সূচি অনুযায়ী, আজ রাত ১২টা ১ মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনার উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...