আন্তর্জাতিক
নেপালে বন্যায় ধ্বংস ২,৫০০ ভবন
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নেপালের ত্রিশুলি উপত্যকায় হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ২ হাজার ৫০০টির বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট সুনামির মতো প্রবল স্রোতে আঘাত হানা এই বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইউরোপের কোপার্নিকাস পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ হিসাব জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, পর্যালোচনা করা তিনটি সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা ধরলে ক্ষতির হার ৭০ শতাংশেরও বেশি।
রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরের তিমুরে, স্যাব্রুবেশি ও বিদুরের বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্যোগের আগে এসব এলাকায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ বসবাস করতেন।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, হিমালয়ের একটি বিশাল হিমবাহ ধসে আকস্মিকভাবে বিপুল পানির প্রবাহ তৈরি হয়। প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে সেই প্রবল স্রোত তিব্বতের সীমান্তসংলগ্ন গিরং সীমান্ত চৌকি অতিক্রম করে নেপালে ঢোকে।
ছোট সীমান্ত শহর তিমুরে ও আশপাশের এলাকায় ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণের স্যাব্রুবেশিতে ধ্বংস হয়েছে তিন-চতুর্থাংশের মতো স্থাপনা। লাংটাং ট্রেকের প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত এলাকাটি হিন্দু তীর্থযাত্রীদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ।
আরও ভাটিতে নুওয়াকোট জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র বিদুরের নদীতীরবর্তী এলাকায় ১ হাজার ৮০০টির বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। অর্থাৎ সেখানে প্রতি পাঁচটি ভবনের প্রায় তিনটিই নিশ্চিহ্ন হয়েছে।
বন্যার স্রোতে ঘরবাড়ির পাশাপাশি সড়ক ও সেতুও ভেঙে পড়েছে। ফলে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইউরোপের কোপার্নিকাস পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ হিসাব জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, পর্যালোচনা করা তিনটি সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা ধরলে ক্ষতির হার ৭০ শতাংশেরও বেশি।
রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরের তিমুরে, স্যাব্রুবেশি ও বিদুরের বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্যোগের আগে এসব এলাকায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ বসবাস করতেন।
বিজ্ঞানীদের ধারণা, হিমালয়ের একটি বিশাল হিমবাহ ধসে আকস্মিকভাবে বিপুল পানির প্রবাহ তৈরি হয়। প্রায় ২০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে সেই প্রবল স্রোত তিব্বতের সীমান্তসংলগ্ন গিরং সীমান্ত চৌকি অতিক্রম করে নেপালে ঢোকে।
ছোট সীমান্ত শহর তিমুরে ও আশপাশের এলাকায় ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণের স্যাব্রুবেশিতে ধ্বংস হয়েছে তিন-চতুর্থাংশের মতো স্থাপনা। লাংটাং ট্রেকের প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত এলাকাটি হিন্দু তীর্থযাত্রীদের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ।
আরও ভাটিতে নুওয়াকোট জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র বিদুরের নদীতীরবর্তী এলাকায় ১ হাজার ৮০০টির বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। অর্থাৎ সেখানে প্রতি পাঁচটি ভবনের প্রায় তিনটিই নিশ্চিহ্ন হয়েছে।
বন্যার স্রোতে ঘরবাড়ির পাশাপাশি সড়ক ও সেতুও ভেঙে পড়েছে। ফলে দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
লোড হচ্ছে...