রাজনীতিবন্দর
বন্দরে যুবলীগ নেতা সোহেল মেম্বার গ্রেপ্তার
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দ এলাকা থেকে মুছাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার ও যুবলীগ নেতা সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে লাঙ্গলবন্দ রাজঘাট এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করে দ্রুত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বন্দর থানার ওসি গুলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোহেল মেম্বার একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রমতে, সোহেল মেম্বার এলাকায় মহানগর যুবলীগ সভাপতি সাহাদাত হোসেন সাজনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ, প্রভাব বিস্তার এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যবসা ও ঠিকাদারি ক্ষেত্রে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানায়, সোহেল মেম্বারকে গ্রেফতারের পর আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ৫ আগস্ট একদল ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশের দৃঢ়তায় তা সফল হয়নি।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্দ এলাকা থেকে মুছাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার ও যুবলীগ নেতা সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুরে লাঙ্গলবন্দ রাজঘাট এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করে দ্রুত থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বন্দর থানার ওসি গুলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোহেল মেম্বার একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রমতে, সোহেল মেম্বার এলাকায় মহানগর যুবলীগ সভাপতি সাহাদাত হোসেন সাজনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ, প্রভাব বিস্তার এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যবসা ও ঠিকাদারি ক্ষেত্রে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানায়, সোহেল মেম্বারকে গ্রেফতারের পর আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ৫ আগস্ট একদল ব্যক্তি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশের দৃঢ়তায় তা সফল হয়নি।
লোড হচ্ছে...