বিশেষ
৮ বছরে কমেছে ৯৫%
আফ্রিকান পেঙ্গুইন মারাত্মক সংকটে
NewsView5

নিউজভিউ
দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার উপকূলে বসবাসকারী আফ্রিকান পেঙ্গুইন ভয়াবহ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে এসব অঞ্চলের নির্দিষ্ট ব্রিডিং কলোনিগুলোতে আফ্রিকান পেঙ্গুইনের সংখ্যা প্রায় ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার পেঙ্গুইনদের এখন ‘মারাত্মক বিপন্ন’(Critically Endangered) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবছর পেঙ্গুইনদের জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ‘মোল্টিং’ বা পালক পরিবর্তনের সময়। এ সময় তারা প্রায় ২১ দিনের জন্য সমুদ্র ছেড়ে ডাঙায় অবস্থান করে। নতুন পালক গজানোর পুরো প্রক্রিয়ায় তাদের শরীরের সব অংশ পালকে আবৃত থাকে না। ফলে শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে ত্বকের নিচে জমে থাকা চর্বির ওপরই নির্ভর করতে হয়।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমুদ্রের অতিরিক্ত লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক হারে মাছ ধরার কারণে পেঙ্গুইনদের প্রধান খাদ্য—বিশেষ করে সার্ডিন ও অ্যাঞ্চোভির মতো ছোট মাছ—কমে গেছে। এতে পর্যাপ্ত খাবার না পেয়ে পেঙ্গুইনদের শরীরে প্রয়োজনীয় চর্বি জমছে না। ফলে মোল্টিংয়ের সময় তারা দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়ছে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, খাদ্যসংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব অব্যাহত থাকলে আফ্রিকান পেঙ্গুইন খুব দ্রুতই প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে পারে। তারা এই প্রজাতি রক্ষায় মাছ ধরার ওপর নিয়ন্ত্রণ, সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ এবং ব্রিডিং কলোনিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই আফ্রিকান পেঙ্গুইন কেবল ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।
পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার পেঙ্গুইনদের এখন ‘মারাত্মক বিপন্ন’(Critically Endangered) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিবছর পেঙ্গুইনদের জীবনচক্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ‘মোল্টিং’ বা পালক পরিবর্তনের সময়। এ সময় তারা প্রায় ২১ দিনের জন্য সমুদ্র ছেড়ে ডাঙায় অবস্থান করে। নতুন পালক গজানোর পুরো প্রক্রিয়ায় তাদের শরীরের সব অংশ পালকে আবৃত থাকে না। ফলে শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে ত্বকের নিচে জমে থাকা চর্বির ওপরই নির্ভর করতে হয়।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমুদ্রের অতিরিক্ত লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক হারে মাছ ধরার কারণে পেঙ্গুইনদের প্রধান খাদ্য—বিশেষ করে সার্ডিন ও অ্যাঞ্চোভির মতো ছোট মাছ—কমে গেছে। এতে পর্যাপ্ত খাবার না পেয়ে পেঙ্গুইনদের শরীরে প্রয়োজনীয় চর্বি জমছে না। ফলে মোল্টিংয়ের সময় তারা দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়ছে।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, খাদ্যসংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব অব্যাহত থাকলে আফ্রিকান পেঙ্গুইন খুব দ্রুতই প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যেতে পারে। তারা এই প্রজাতি রক্ষায় মাছ ধরার ওপর নিয়ন্ত্রণ, সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ এবং ব্রিডিং কলোনিগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই আফ্রিকান পেঙ্গুইন কেবল ইতিহাসের পাতায় সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।
লোড হচ্ছে...