জাতীয়
নূর এ আলম
ঈদযাত্রায় মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের চেয়ে বেশি
NHP NewsView

নূর এ আলম
ঈদ আনন্দ ও লম্বা ছুটি কাটিয়ে মানুষ আবার ফিরতে শুরু করেছে নিজ নিজ কর্মস্থলে। কেউ নিয়ে এসেছে আপনজনের সাথে কাটানো সূখ স্মৃতি, কেউ বয়ে নিয়ে এসেছে হারানোর বেদনা। দেশ জুড়ে ঈদ আনন্দ শেষ হলেও অসংখ্য পরিবারে প্রিয়জনের মৃত্যু শোক এখনো কাটেনি। প্রতিবারের মত এ বছরও ঈদুল ফিতরের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে তিন শতাধিক সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৩৬০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন (আরএসএফ) এবং যাত্রী কল্যাণ সংস্থার বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এমনকি ঈদের দিনেও অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ঈদের দ্বিতীয় দিনে তা ছিল ২০ থেকে ৩০ জনের মধ্যে।
ইরান - ইসরাইল যুদ্ধে ইরানে মার্চ মাসের দৈনিক মৃত্যুর হার ৬৪-৬৫ জন অন্যদিকে হাজার হাজার মিসাইল আর ড্রোন হামলার মধ্যেও ইসরাইলে পুরো মার্চ মাস জুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯-২০ জনের। অর্থাৎ বাংলাদেশে একদিনের ঈদ ছুটি থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের দৈনিক মৃত্যুর তুলনায় অনেক বেশি।
ঈদের পরপরই সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটে রাজবাড়ীতে। একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় প্রায় ৫০ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এতে অন্তত ২৬ জন প্রাণ হারায়। আরেকটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে। এতে একই পরিবারের ১১ জন সদস্যসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়। এছাড়া কুমিল্লা রেলক্রসিংএ বাস ও ট্রেনের সংঘর্ষে প্রায় ১০–১২ জন নিহত হয়।
বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও বাস দুর্ঘটনাই সবচেয়ে বেশি হয় বলে জানা যায়। এর প্রধান কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল- চালকের বেপরোয়া গতি ও ওভারটেকিং প্রবণতা, অদক্ষ ও ক্লান্ত চালক বা অনেক সময় হেল্পার দিয়ে গাড়ি চালানো, রাস্তায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলতে দেয়া, ভাঙা -চোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাগুলোর সংস্কার না করা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও পর্যাপ্ত ট্রাফিক পেট্রলিং এর অভাব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি ঈদে এই ধরণের প্রাণহানি প্রতিরোধ করতে কঠোর আইন প্রয়োগ, চালক প্রশিক্ষণ ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। যদি সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করা হয়, তাহলে প্রতি ঈদেই এই মৃত্যুর মিছিল চলতে থাকবে।
নুর এ আলম
ঈদ আনন্দ ও লম্বা ছুটি কাটিয়ে মানুষ আবার ফিরতে শুরু করেছে নিজ নিজ কর্মস্থলে। কেউ নিয়ে এসেছে আপনজনের সাথে কাটানো সূখ স্মৃতি, কেউ বয়ে নিয়ে এসেছে হারানোর বেদনা। দেশ জুড়ে ঈদ আনন্দ শেষ হলেও অসংখ্য পরিবারে প্রিয়জনের মৃত্যু শোক এখনো কাটেনি। প্রতিবারের মত এ বছরও ঈদুল ফিতরের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে তিন শতাধিক সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৩৬০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন (আরএসএফ) এবং যাত্রী কল্যাণ সংস্থার বিভিন্ন প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এমনকি ঈদের দিনেও অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ঈদের দ্বিতীয় দিনে তা ছিল ২০ থেকে ৩০ জনের মধ্যে।
ইরান - ইসরাইল যুদ্ধে ইরানে মার্চ মাসের দৈনিক মৃত্যুর হার ৬৪-৬৫ জন অন্যদিকে হাজার হাজার মিসাইল আর ড্রোন হামলার মধ্যেও ইসরাইলে পুরো মার্চ মাস জুড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯-২০ জনের। অর্থাৎ বাংলাদেশে একদিনের ঈদ ছুটি থেকে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের দৈনিক মৃত্যুর তুলনায় অনেক বেশি।
ঈদের পরপরই সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটে রাজবাড়ীতে। একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় প্রায় ৫০ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। এতে অন্তত ২৬ জন প্রাণ হারায়। আরেকটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে। এতে একই পরিবারের ১১ জন সদস্যসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়। এছাড়া কুমিল্লা রেলক্রসিংএ বাস ও ট্রেনের সংঘর্ষে প্রায় ১০–১২ জন নিহত হয়।
বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও বাস দুর্ঘটনাই সবচেয়ে বেশি হয় বলে জানা যায়। এর প্রধান কারণ হিসেবে যে বিষয়গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল- চালকের বেপরোয়া গতি ও ওভারটেকিং প্রবণতা, অদক্ষ ও ক্লান্ত চালক বা অনেক সময় হেল্পার দিয়ে গাড়ি চালানো, রাস্তায় ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলতে দেয়া, ভাঙা -চোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তাগুলোর সংস্কার না করা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও পর্যাপ্ত ট্রাফিক পেট্রলিং এর অভাব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি ঈদে এই ধরণের প্রাণহানি প্রতিরোধ করতে কঠোর আইন প্রয়োগ, চালক প্রশিক্ষণ ও যানবাহন নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। যদি সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার না করা হয়, তাহলে প্রতি ঈদেই এই মৃত্যুর মিছিল চলতে থাকবে।
নুর এ আলম
লোড হচ্ছে...