রাজনীতি
এবার বিএনপি থেকে বহিষ্কার সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম
NewsView

নিউজভিউ
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত হলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপি থেকে আজহারুল ইসলাম মান্নানকে ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে দলের এই সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর প্রার্থিতা বহাল রাখেন। ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন থাকলেও তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি। এরই প্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ বাতিল করা হয়েছে।
অধ্যাপক রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি বিএনপি সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির পদেও ছিলেন। এক সময় দলের সংস্কারপন্থী অংশের সঙ্গে যুক্ত থাকা এই প্রবীণ নেতা শেষ পর্যন্ত নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকার ঘোষণা দিলেন।
প্রতীক বরাদ্দের পর নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে এখন বহুমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে এই আসনে ভোটের লড়াইয়ে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা হলেন— বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান (ধানের শীষ), হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (ফুটবল), অধ্যাপক রেজাউল করিম (ঘোড়া), ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ (হাতপাখা), জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া (দাঁড়িপাল্লা), গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস (মাথাল) এবং এবি পার্টির আরিফুল ইসলাম (ঈগল)।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে এবার মোট ৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রেজাউল করিমের বহিষ্কারের ফলে সোনারগাঁর নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত হলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপি থেকে আজহারুল ইসলাম মান্নানকে ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে দলের এই সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাঁর প্রার্থিতা বহাল রাখেন। ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন থাকলেও তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি। এরই প্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পদ বাতিল করা হয়েছে।
অধ্যাপক রেজাউল করিম বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি বিএনপি সরকারের আমলে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির পদেও ছিলেন। এক সময় দলের সংস্কারপন্থী অংশের সঙ্গে যুক্ত থাকা এই প্রবীণ নেতা শেষ পর্যন্ত নিজ দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকার ঘোষণা দিলেন।
প্রতীক বরাদ্দের পর নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে এখন বহুমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে এই আসনে ভোটের লড়াইয়ে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা হলেন— বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান (ধানের শীষ), হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (ফুটবল), অধ্যাপক রেজাউল করিম (ঘোড়া), ইসলামী আন্দোলনের গোলাম মসীহ (হাতপাখা), জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া (দাঁড়িপাল্লা), গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস (মাথাল) এবং এবি পার্টির আরিফুল ইসলাম (ঈগল)।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে এবার মোট ৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রেজাউল করিমের বহিষ্কারের ফলে সোনারগাঁর নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে।
লোড হচ্ছে...