জাতীয়
এক্সিলারেটের এলএনজি বন্ধ, গ্যাস সংকট আরও তীব্র
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
দেশে গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি আবারও অবনতি হয়েছে। নতুন এলএনজি কার্গো না আসায় বুধবার বেলা তিনটা থেকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের পরিমাণ কমে গিয়ে সংকট আরও তীব্র হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টার্মিনালে থাকা এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ বন্ধ করতে হয়েছে। গত শনিবার টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালুর পর পুরোনো মজুত থেকেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। তবে সোমবার থেকে সেই সরবরাহও ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা চারটি এলএনজি কার্গো দেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্গো আসেনি। এ কারণে টার্মিনাল প্রস্তুত থাকলেও সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
মহেশখালীতে এলএনজি গ্রহণ ও সরবরাহের দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি পরিচালনা করে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি এবং অন্যটি সামিট। গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে সেটি চালুর উপযোগী হলেও পর্যাপ্ত এলএনজি না থাকায় পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়নি।
দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। মোট সরবরাহের মধ্যে প্রায় ১০৫ কোটি ঘনফুট আসে এলএনজি থেকে।
শুক্রবার দুটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় গ্যাস সরবরাহ ১৬৪ কোটি ঘনফুটে নেমেছিল। পরে সামিট থেকে সরবরাহ শুরু হলে শনিবার তা বেড়ে ২৪২ কোটি ঘনফুটে ওঠে। এরপর রোববার ২৪০ কোটি এবং সোমবার ২২৮ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। বুধবার এক্সিলারেট বন্ধ হওয়ার পর সরবরাহ আরও কমে দাঁড়িয়েছে ২১৮ কোটি ঘনফুটে।
এদিকে গতকাল এলএনজি থেকে ৬৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও আজ তা কমে ৫৫ কোটি ঘনফুট হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বৃহস্পতিবার একটি এলএনজি কার্গো দেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেটি সামিটের টার্মিনালে যুক্ত হতে পারে। এক্সিলারেটের জন্য নতুন কার্গো ২৩ থেকে ২৪ আগস্ট আসতে পারে। ফলে কয়েক দিন ধরে গ্যাসের সংকট অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টার্মিনালে থাকা এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ বন্ধ করতে হয়েছে। গত শনিবার টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালুর পর পুরোনো মজুত থেকেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। তবে সোমবার থেকে সেই সরবরাহও ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কেনা চারটি এলএনজি কার্গো দেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্গো আসেনি। এ কারণে টার্মিনাল প্রস্তুত থাকলেও সেখান থেকে গ্যাস সরবরাহ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
মহেশখালীতে এলএনজি গ্রহণ ও সরবরাহের দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি পরিচালনা করে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি এবং অন্যটি সামিট। গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে সেটি চালুর উপযোগী হলেও পর্যাপ্ত এলএনজি না থাকায় পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়নি।
দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। মোট সরবরাহের মধ্যে প্রায় ১০৫ কোটি ঘনফুট আসে এলএনজি থেকে।
শুক্রবার দুটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় গ্যাস সরবরাহ ১৬৪ কোটি ঘনফুটে নেমেছিল। পরে সামিট থেকে সরবরাহ শুরু হলে শনিবার তা বেড়ে ২৪২ কোটি ঘনফুটে ওঠে। এরপর রোববার ২৪০ কোটি এবং সোমবার ২২৮ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। বুধবার এক্সিলারেট বন্ধ হওয়ার পর সরবরাহ আরও কমে দাঁড়িয়েছে ২১৮ কোটি ঘনফুটে।
এদিকে গতকাল এলএনজি থেকে ৬৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও আজ তা কমে ৫৫ কোটি ঘনফুট হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বৃহস্পতিবার একটি এলএনজি কার্গো দেশে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সেটি সামিটের টার্মিনালে যুক্ত হতে পারে। এক্সিলারেটের জন্য নতুন কার্গো ২৩ থেকে ২৪ আগস্ট আসতে পারে। ফলে কয়েক দিন ধরে গ্যাসের সংকট অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
লোড হচ্ছে...