রাজনীতি
শুধু রাজনীতি নয়, সমাজের ‘সু-নাগরিক’দের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ তনুর
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের নাগরিক সমস্যা নিরসনে রাজনৈতিক দলগুলোর নিস্পৃহতা এবং সুশীল সমাজের নির্লিপ্ততা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আহমেদুর রহমান তনু। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি শহরের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘পূর্বের চেয়ে ক্ষতিকর’ হিসেবে অভিহিত করেন।
আহমেদুর রহমান তনু তার পোস্টে উল্লেখ করেন, যখন শহরে কোনো সমস্যা তৈরি হয়, তখন চায়ের দোকানে প্রচুর সমালোচনা হয়। কিন্তু সমস্যার স্থায়ী সমাধানে যখন হাতেগোনা কয়েকজন রাস্তায় নামেন, তখন বাকিদের খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সংকটে হাঁটার সঙ্গী হিসেবে কেন মাত্র দু-একজন বা চার-পাঁচজন ছাড়া অন্যদের পাওয়া যায় না?
রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবল বিএনপির অল্প কিছু নেতাকর্মীকে মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান দেখা যাচ্ছে। তবে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি কিংবা অন্যান্য দলগুলোকে শহরের সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলো কি কেবল ভোটের সময় ভালো কথা বলবে, নাকি সারা বছর কাজের মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা বজায় রাখবে—এমন প্রশ্নও ছুঁড়ে দেন তিনি।
শুধু রাজনীতি নয়, সমাজের ‘সু-নাগরিক’দের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, সুশীল সমাজ যদি শুধু ঘরে বসে বা টেবিলে আলোচনা করে সময় পার করে, তবে শহরের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছাড়া এই শহরকে বদলে দেওয়া অসম্ভব।
পোস্টের শেষে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, বর্তমানে যেভাবে সবকিছু চলছে, তাতে কোনো সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব নয়। সম্মিলিত উদ্যোগের অভাব থাকলে দিনশেষে কেবল আফসোস করাই সার হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তনুর এই স্ট্যাটাসটি নারায়ণগঞ্জের সচেতন মহলে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের নাগরিক সমস্যা নিরসনে রাজনৈতিক দলগুলোর নিস্পৃহতা এবং সুশীল সমাজের নির্লিপ্ততা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আহমেদুর রহমান তনু। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি শহরের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘পূর্বের চেয়ে ক্ষতিকর’ হিসেবে অভিহিত করেন।
আহমেদুর রহমান তনু তার পোস্টে উল্লেখ করেন, যখন শহরে কোনো সমস্যা তৈরি হয়, তখন চায়ের দোকানে প্রচুর সমালোচনা হয়। কিন্তু সমস্যার স্থায়ী সমাধানে যখন হাতেগোনা কয়েকজন রাস্তায় নামেন, তখন বাকিদের খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সংকটে হাঁটার সঙ্গী হিসেবে কেন মাত্র দু-একজন বা চার-পাঁচজন ছাড়া অন্যদের পাওয়া যায় না?
রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেবল বিএনপির অল্প কিছু নেতাকর্মীকে মাঠ পর্যায়ে দৃশ্যমান দেখা যাচ্ছে। তবে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি কিংবা অন্যান্য দলগুলোকে শহরের সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক দলগুলো কি কেবল ভোটের সময় ভালো কথা বলবে, নাকি সারা বছর কাজের মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা বজায় রাখবে—এমন প্রশ্নও ছুঁড়ে দেন তিনি।
শুধু রাজনীতি নয়, সমাজের ‘সু-নাগরিক’দের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তিনি বলেন, সুশীল সমাজ যদি শুধু ঘরে বসে বা টেবিলে আলোচনা করে সময় পার করে, তবে শহরের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছাড়া এই শহরকে বদলে দেওয়া অসম্ভব।
পোস্টের শেষে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, বর্তমানে যেভাবে সবকিছু চলছে, তাতে কোনো সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব নয়। সম্মিলিত উদ্যোগের অভাব থাকলে দিনশেষে কেবল আফসোস করাই সার হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তনুর এই স্ট্যাটাসটি নারায়ণগঞ্জের সচেতন মহলে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
লোড হচ্ছে...