রাজনীতিসদর
টাকা নেই তো মানুষের অধিকার নেই—এমন দেশ আমরা চাই না: সেলিম মাহমুদ
NewsView

নিউজভিউ
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো পণ্যে রূপান্তরিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বাসদ মনোনীত ‘মই’ প্রতীকের প্রার্থী সেলিম মাহমুদ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় পথসভা ও গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় সেলিম মাহমুদ বলেন, “বিগত ৫৪ বছরে শাসকরা এমন এক দেশ বানিয়েছে যেখানে টাকা নেই তো মানুষের কোনো অধিকার নেই। কোটিপতিরা সংসদকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। তারা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে শক্তিশালী করেছে এবং শিক্ষা-চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকারকে টাকার কাছে জিম্মি করে ফেলেছে।”
নির্বাচনী সংস্কৃতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, “প্রতিটি নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দলগুলো গালভরা নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু নির্বাচনের পর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয় না, বরং জনগণ বারবার প্রতারিত হয়। আমরা এই শোষনমূলক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাই।”
নির্বাচন কমিশনের প্রতি সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে সেলিম মাহমুদ বলেন:
“নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যার সাথে গোটা দেশের মানুষের ভাগ্য জড়িত। আমরা দেখতে পাচ্ছি, প্রভাবশালী প্রার্থীরা প্রকাশ্যেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাচ্ছেন, অথচ প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছে। এমন পক্ষপাতমূলক আচরণ আমাদের কাছে কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।”
গণসংযোগ ও পথসভা চলাকালে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব নাসিম হাসান, ফতুল্লার স্থানীয় নেতা মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও কামাল পারভেজ মিঠু, ছাত্র ফ্রন্ট নেতা আহাম্মেদ রবিন স্বপ্ন ও ইফতি আহাম্মেদ জিহাদ সহ স্থানীয় নেতারা।
কুতুবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ‘মই’ প্রতীকের পক্ষে প্রচারপত্র বিলি করা হয় এবং সাধারণ ভোটারদের শোষনমুক্ত সমাজ গড়ার লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো পণ্যে রূপান্তরিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বাসদ মনোনীত ‘মই’ প্রতীকের প্রার্থী সেলিম মাহমুদ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় পথসভা ও গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় সেলিম মাহমুদ বলেন, “বিগত ৫৪ বছরে শাসকরা এমন এক দেশ বানিয়েছে যেখানে টাকা নেই তো মানুষের কোনো অধিকার নেই। কোটিপতিরা সংসদকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। তারা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে শক্তিশালী করেছে এবং শিক্ষা-চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকারকে টাকার কাছে জিম্মি করে ফেলেছে।”
নির্বাচনী সংস্কৃতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, “প্রতিটি নির্বাচন এলেই রাজনৈতিক দলগুলো গালভরা নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু নির্বাচনের পর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয় না, বরং জনগণ বারবার প্রতারিত হয়। আমরা এই শোষনমূলক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাই।”
নির্বাচন কমিশনের প্রতি সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে সেলিম মাহমুদ বলেন:
“নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যার সাথে গোটা দেশের মানুষের ভাগ্য জড়িত। আমরা দেখতে পাচ্ছি, প্রভাবশালী প্রার্থীরা প্রকাশ্যেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাচ্ছেন, অথচ প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছে। এমন পক্ষপাতমূলক আচরণ আমাদের কাছে কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।”
গণসংযোগ ও পথসভা চলাকালে প্রার্থীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব নাসিম হাসান, ফতুল্লার স্থানীয় নেতা মোহাম্মদ কামাল হোসেন ও কামাল পারভেজ মিঠু, ছাত্র ফ্রন্ট নেতা আহাম্মেদ রবিন স্বপ্ন ও ইফতি আহাম্মেদ জিহাদ সহ স্থানীয় নেতারা।
কুতুবপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ‘মই’ প্রতীকের পক্ষে প্রচারপত্র বিলি করা হয় এবং সাধারণ ভোটারদের শোষনমুক্ত সমাজ গড়ার লড়াইয়ে শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
লোড হচ্ছে...