নারায়ণগঞ্জআড়াইহাজার
আড়াইহাজারে পুলিশের গাড়ি ভাঙ্গচুর, জরিত ১জন গ্রেপ্তার করলো র্যাব
NewsView

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় গ্রাম্য বিরোধের জের ধরে সৃষ্ট সংঘর্ষে পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। শনিবার (১৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে সোনারগাঁও থেকে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতর নাম কামাল (৪৫)। সে সোনারগাঁও উপজেলার সে আড়াইহাজারের উচিৎপুরা গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়, গত ২৯ অক্টোবর বুধবার রাতে আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের উচিৎপুরা বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মর্দাসাদি গ্রামের সঙ্গে উচিৎপুরা ও আগুয়ান্দি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়। এই সংঘাতের সূচনা হয় সেদিন বিকেলে, যখন মর্দাসাদি গ্রামের নোয়াব আলী, আক্তার, জলিলসহ কয়েকজন উচিৎপুরা বাজারে গিয়ে স্থানীয় নুরু মিয়াকে (৪৫) কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায়, নুরু মিয়ার সমর্থক উচিৎপুরা, আগুয়ান্দি ও গহরদী গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উচিৎপুরা বাজারে জড়ো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার গাড়ি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা তাদের নির্দেশ অমান্য করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এই হামলায় পুলিশ সদস্যসহ মোট ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৩ জন পুলিশ সদস্যও ছিলেন। সবচেয়ে গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয় ওসি (তদন্ত)-এর ব্যবহৃত সরকারি ডাবল কেবিন পিকআপটির, যা সম্পূর্ণ ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় পরবর্তীতে পুলিশের এস আই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর, র্যাব-১১ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অদ্য ১৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ১২টায় সোনারগাঁও বারদী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় ৯ নং আসামি কামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আড়াইহাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতর নাম কামাল (৪৫)। সে সোনারগাঁও উপজেলার সে আড়াইহাজারের উচিৎপুরা গ্রামের বাসিন্দা।
জানা যায়, গত ২৯ অক্টোবর বুধবার রাতে আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের উচিৎপুরা বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মর্দাসাদি গ্রামের সঙ্গে উচিৎপুরা ও আগুয়ান্দি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়। এই সংঘাতের সূচনা হয় সেদিন বিকেলে, যখন মর্দাসাদি গ্রামের নোয়াব আলী, আক্তার, জলিলসহ কয়েকজন উচিৎপুরা বাজারে গিয়ে স্থানীয় নুরু মিয়াকে (৪৫) কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায়, নুরু মিয়ার সমর্থক উচিৎপুরা, আগুয়ান্দি ও গহরদী গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উচিৎপুরা বাজারে জড়ো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার গাড়ি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে উত্তেজিত জনতা তাদের নির্দেশ অমান্য করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এই হামলায় পুলিশ সদস্যসহ মোট ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ৩ জন পুলিশ সদস্যও ছিলেন। সবচেয়ে গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয় ওসি (তদন্ত)-এর ব্যবহৃত সরকারি ডাবল কেবিন পিকআপটির, যা সম্পূর্ণ ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় পরবর্তীতে পুলিশের এস আই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর, র্যাব-১১ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অদ্য ১৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ১২টায় সোনারগাঁও বারদী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংঘর্ষ ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত এজাহারনামীয় ৯ নং আসামি কামালকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য আড়াইহাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...