রাজনীতিসোনারগাঁও
বিএনপি প্রার্থীকে দেখে চেয়ার ছেড়ে দিলো প্রশাসনিক কর্মকর্তা!
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী অঞ্জন দাস প্রশাসনের এক কর্মকর্তার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের পক্ষপাতমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানান।
অঞ্জন দাসের অভিযোগ অনুযায়ী, সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান প্রবেশ করার পর কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম নিজের চেয়ার ছেড়ে দিয়ে তাঁকে সম্মান প্রদর্শন করেন। অঞ্জন দাসের মতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই সময়ে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন আচরণ নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি একে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাবের ‘নগ্ন বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে অভিহিত করেন।
অভিযোগ পত্রে অঞ্জন দাস আরও উল্লেখ করেন যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতেও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ ছিল। ২০২৪ সালের ‘আমি-ডামি’ নির্বাচনে ভোট কারচুপি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল বলে জনমনে আলোচনা রয়েছে। অঞ্জন দাসের দাবি, সে সময় যথাযথ তদন্ত না হওয়ায় এই কর্মকর্তা বর্তমানেও একজন নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্য পক্ষপাত করার সাহস পাচ্ছেন।
গণসংহতি আন্দোলনের এই নেতা বলেন, “নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব হচ্ছে সকল প্রার্থীর প্রতি সমান আচরণ নিশ্চিত করা। কিন্তু সোনারগাঁওয়ে সংঘটিত এই ঘটনা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের শর্তকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।” তিনি অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিতর্কিত ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফেরাতে সোনারগাঁওসহ সারা দেশে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন অঞ্জন দাস। একইসাথে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় প্রশাসনের এমন আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সজাগ ও প্রতিবাদমুখর থাকার আহ্বান জানান তিনি।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী অঞ্জন দাস প্রশাসনের এক কর্মকর্তার নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের পক্ষপাতমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানান।
অঞ্জন দাসের অভিযোগ অনুযায়ী, সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান প্রবেশ করার পর কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম নিজের চেয়ার ছেড়ে দিয়ে তাঁকে সম্মান প্রদর্শন করেন। অঞ্জন দাসের মতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এই সময়ে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন আচরণ নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তিনি একে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতদুষ্ট মনোভাবের ‘নগ্ন বহিঃপ্রকাশ’ হিসেবে অভিহিত করেন।
অভিযোগ পত্রে অঞ্জন দাস আরও উল্লেখ করেন যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতেও গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ ছিল। ২০২৪ সালের ‘আমি-ডামি’ নির্বাচনে ভোট কারচুপি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল বলে জনমনে আলোচনা রয়েছে। অঞ্জন দাসের দাবি, সে সময় যথাযথ তদন্ত না হওয়ায় এই কর্মকর্তা বর্তমানেও একজন নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্য পক্ষপাত করার সাহস পাচ্ছেন।
গণসংহতি আন্দোলনের এই নেতা বলেন, “নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব হচ্ছে সকল প্রার্থীর প্রতি সমান আচরণ নিশ্চিত করা। কিন্তু সোনারগাঁওয়ে সংঘটিত এই ঘটনা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের শর্তকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।” তিনি অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিতর্কিত ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফেরাতে সোনারগাঁওসহ সারা দেশে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন অঞ্জন দাস। একইসাথে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় প্রশাসনের এমন আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সজাগ ও প্রতিবাদমুখর থাকার আহ্বান জানান তিনি।
লোড হচ্ছে...