নারায়ণগঞ্জসদর
সেই ভূমি অফিসের সব কর্মকর্তা কর্মচারীকে শাস্তিমূলক বদলি
NHP NewsView

নিউজভিউ
দাপ্তরিক কাজে চরম গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সব জনবলকে একযোগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়ার কাজও শুরু হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ৪ মার্চ বুধবার সকালে, যখন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কার্যালয়টি পরিদর্শনে যান। নির্ধারিত কর্মঘণ্টা শুরুর পরও দীর্ঘ সময় সেখানে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর দেখা মেলেনি। খোদ প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতেও দপ্তরের কক্ষগুলোতে তালা ঝুলতে দেখা যায়। এমন পরিস্থিতিতে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া স্থানীয়দের কাছ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ গ্রহণ ও দাপ্তরিক সময়ের বাইরে অপেশাদার কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর সব অভিযোগ পাওয়া যায়।
মন্ত্রণালয়ের কঠোর অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন এই শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করে। আদেশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কেবল বদলিই শেষ নয়, ভবিষ্যতে সেবার মান উন্নত করতে প্রতিটি ভূমি অফিসে নির্ধারিত ফি-এর তালিকা সম্বলিত বিলবোর্ড স্থাপন এবং প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে অন্তত ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মীকে আবশ্যিকভাবে নিজ আসনে উপস্থিত থাকতে হবে। পাশাপাশি দুর্নীতি রোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) নিয়মিত ঝটিকা পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এই গণ-বদলির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জনস্বার্থ রক্ষায় এবং সরকারি বিধি-বিধান প্রতিপালনে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না। ভবিষ্যতে যারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে ওই দপ্তরের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া চলছে।
দাপ্তরিক কাজে চরম গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সব জনবলকে একযোগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির স্বাক্ষরিত এক আদেশের মাধ্যমে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়ার কাজও শুরু হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ৪ মার্চ বুধবার সকালে, যখন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট কার্যালয়টি পরিদর্শনে যান। নির্ধারিত কর্মঘণ্টা শুরুর পরও দীর্ঘ সময় সেখানে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর দেখা মেলেনি। খোদ প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতেও দপ্তরের কক্ষগুলোতে তালা ঝুলতে দেখা যায়। এমন পরিস্থিতিতে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া স্থানীয়দের কাছ থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ গ্রহণ ও দাপ্তরিক সময়ের বাইরে অপেশাদার কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর সব অভিযোগ পাওয়া যায়।
মন্ত্রণালয়ের কঠোর অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন এই শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করে। আদেশে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কেবল বদলিই শেষ নয়, ভবিষ্যতে সেবার মান উন্নত করতে প্রতিটি ভূমি অফিসে নির্ধারিত ফি-এর তালিকা সম্বলিত বিলবোর্ড স্থাপন এবং প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে অন্তত ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মীকে আবশ্যিকভাবে নিজ আসনে উপস্থিত থাকতে হবে। পাশাপাশি দুর্নীতি রোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনারদের (ভূমি) নিয়মিত ঝটিকা পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এই গণ-বদলির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জনস্বার্থ রক্ষায় এবং সরকারি বিধি-বিধান প্রতিপালনে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না। ভবিষ্যতে যারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করবেন, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমানে ওই দপ্তরের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া চলছে।
লোড হচ্ছে...