নারায়ণগঞ্জবন্দর
বন্দরে ভেজাল গুড় বিক্রির অভিযোগ
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে বন্দরে চিরচেনা গ্রামীণ জনপদে শুরু হয়েছে খেজুরের রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির ব্যস্ততা। ভোরে গাছিদের রস সংগ্রহের নান্দনিক দৃশ্য চোখে পড়লেও, এই সুযোগে একদল অসাধু ব্যবসায়ী মেতে উঠেছে ‘ভেজাল’ গুড়ের মরণঘাতী খেলায়। সুস্বাদু ও খাঁটি খেজুরের গুড়ের নাম দিয়ে সাধারণ মানুষের থলিতে তুলে দেওয়া হচ্ছে চিনি, আটা ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশ্রিত ভেজাল গুড়। বন্দরে প্রশাসনের নজরদারির অভাবে এই ব্যবসা এখন প্রকাশ্যে চললেও প্রতিরোধের কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ স্থানীদের।
সরেজমিনে বন্দর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের শুরুতেই অসাধু গুড় প্রস্তুতকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। খাঁটি রসের স্বল্পতাকে পুঁজি করে তারা চিনির সিরা, সোডা ও বিভিন্ন রং ব্যবহার করে তৈরি করছে আকর্ষণীয় রঙের গুড়। এসব গুড় দেখতে আকর্ষণীয় হলেও গুণগত মান ও স্বাদে একেবারেই শূন্য। প্রতারক চক্রটি এই ভেজাল গুড় উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি করে ভোক্তাদের প্রতিনিয়ত পকেট কাটছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভেজাল গুড়ে মেশানো কৃত্রিম রং ও অতিরিক্ত চিনি মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এই গুড় দিয়ে তৈরি পিঠা-পুলি খেয়ে ইতিমধ্যে অনেক শিশু ও বয়স্ক মানুষ পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত এসব গুড় দীর্ঘমেয়াদে কিডনি ও লিভারের সমস্যার কারণ হতে পারে বলেও সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা।
ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। তারা প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবি, বন্দর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড়ের মান ধরে রাখতে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা প্রয়োজন।
এ অবস্থায় ভেজাল গুড় উৎপাদনকারী কারখানাগুলো সিলগালা করাসহ অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বন্দরের সর্বস্তরের মানুষ।
শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে বন্দরে চিরচেনা গ্রামীণ জনপদে শুরু হয়েছে খেজুরের রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির ব্যস্ততা। ভোরে গাছিদের রস সংগ্রহের নান্দনিক দৃশ্য চোখে পড়লেও, এই সুযোগে একদল অসাধু ব্যবসায়ী মেতে উঠেছে ‘ভেজাল’ গুড়ের মরণঘাতী খেলায়। সুস্বাদু ও খাঁটি খেজুরের গুড়ের নাম দিয়ে সাধারণ মানুষের থলিতে তুলে দেওয়া হচ্ছে চিনি, আটা ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল মিশ্রিত ভেজাল গুড়। বন্দরে প্রশাসনের নজরদারির অভাবে এই ব্যবসা এখন প্রকাশ্যে চললেও প্রতিরোধের কোনো উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ স্থানীদের।
সরেজমিনে বন্দর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের শুরুতেই অসাধু গুড় প্রস্তুতকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। খাঁটি রসের স্বল্পতাকে পুঁজি করে তারা চিনির সিরা, সোডা ও বিভিন্ন রং ব্যবহার করে তৈরি করছে আকর্ষণীয় রঙের গুড়। এসব গুড় দেখতে আকর্ষণীয় হলেও গুণগত মান ও স্বাদে একেবারেই শূন্য। প্রতারক চক্রটি এই ভেজাল গুড় উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি করে ভোক্তাদের প্রতিনিয়ত পকেট কাটছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ভেজাল গুড়ে মেশানো কৃত্রিম রং ও অতিরিক্ত চিনি মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এই গুড় দিয়ে তৈরি পিঠা-পুলি খেয়ে ইতিমধ্যে অনেক শিশু ও বয়স্ক মানুষ পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত এসব গুড় দীর্ঘমেয়াদে কিডনি ও লিভারের সমস্যার কারণ হতে পারে বলেও সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা।
ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে। তারা প্রকাশ্যে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবি, বন্দর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড়ের মান ধরে রাখতে এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা প্রয়োজন।
এ অবস্থায় ভেজাল গুড় উৎপাদনকারী কারখানাগুলো সিলগালা করাসহ অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বন্দরের সর্বস্তরের মানুষ।
লোড হচ্ছে...