নারায়ণগঞ্জআড়াইহাজার
নারায়ণগঞ্জে হত্যার ১৬ মাস পর ময়নাতদন্তে শ্বাসরোধের প্রমাণ, স্বামী গ্রেপ্তার
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক গৃহবধূর মৃত্যুর ১৬ মাস পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ পাওয়ার পর অপমৃত্যুর মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের স্বামী ও সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক জিএস সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে আড়াইহাজার থানা পুলিশ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৭ জুলাই পারিবারিকভাবে জিদনী আক্তারের সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে জিদনীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। নিহতের মা নাজমা আক্তার অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময় নগদ টাকা ও উপঢৌকন দেওয়ার পরও আসামিরা শান্ত হয়নি। গত ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে সুমন ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে জিদনীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর পরিবার হত্যার অভিযোগ তুলতে চাইলেও তখন পুলিশ তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।
দীর্ঘ ১৬ মাস পর নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, জিদনীকে শ্বাসরোধ করেই হত্যা করা হয়েছিল। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত বুধবার রাতে আড়াইহাজার থানায় নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় নিহতের স্বামী সুমন মিয়া, তার বাবা আব্দুল হান্নান হানু, মা রূপালী বেগমসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
আড়াইহাজার থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মামলাটি এখন নিয়মিত হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধান আসামি সুমন মিয়াকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার বাকি সাত আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক গৃহবধূর মৃত্যুর ১৬ মাস পর চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ পাওয়ার পর অপমৃত্যুর মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের স্বামী ও সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক জিএস সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে আড়াইহাজার থানা পুলিশ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৭ জুলাই পারিবারিকভাবে জিদনী আক্তারের সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ৫ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে জিদনীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। নিহতের মা নাজমা আক্তার অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সময় নগদ টাকা ও উপঢৌকন দেওয়ার পরও আসামিরা শান্ত হয়নি। গত ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে যৌতুক দিতে অস্বীকৃতি জানালে সুমন ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে জিদনীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর পরিবার হত্যার অভিযোগ তুলতে চাইলেও তখন পুলিশ তা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।
দীর্ঘ ১৬ মাস পর নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, জিদনীকে শ্বাসরোধ করেই হত্যা করা হয়েছিল। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গত বুধবার রাতে আড়াইহাজার থানায় নিয়মিত হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় নিহতের স্বামী সুমন মিয়া, তার বাবা আব্দুল হান্নান হানু, মা রূপালী বেগমসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
আড়াইহাজার থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মামলাটি এখন নিয়মিত হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধান আসামি সুমন মিয়াকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার বাকি সাত আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...