নারায়ণগঞ্জসদর
দুই শিশুকে যৌন নিপীড়ন, পুলিশের খাঁচায় ‘হারুন’
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দুই শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে হারুন মিয়া (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পহেলা বৈশাখের বিকেলে মোবাইল গেমে আসক্ত করার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুদের ওপর এই পাশবিক আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ন্যক্কারজনক এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ‘টাকা ও জুতা প্রহারের’ মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, ভুক্তভোগী পরিবার সেই তথাকথিত বিচার প্রত্যাখ্যান করে আইনের আশ্রয় নেওয়ায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
থানা পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে অভিযুক্ত হারুন মিয়া প্রতিবেশী দুই শিশুকে খাবার খাওয়ানো ও মোবাইলে গেম খেলার কথা বলে নিজের কক্ষে ডেকে নেন। এরপর কক্ষের বাতি নিভিয়ে তাদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালান। ভুক্তভোগী দুই শিশুর বয়স মাত্র ৯ ও ৮ বছর। শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে আইন অনুযায়ী তাদের নাম ও সুনির্দিষ্ট পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
ঘটনার পরদিন বুধবার রাতে স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায় একটি প্রভাবশালী মহল। বাড়ির মালিক ও স্থানীয় কয়েকজন মাতবর মিলে সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। সেখানে অভিযুক্ত হারুন মিয়াকে জুতা দিয়ে প্রহার এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানার মাধ্যমে বিষয়টি ‘মীমাংসা’ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এমনকি তার ফ্রিজ বিক্রি করে জরিমানার অর্ধেক টাকা আদায়ও করা হয়েছিল।
তবে মাতবরদের এই বেআইনি আপস মেনে নেয়নি ভুক্তভোগী পরিবার। তারা সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত হারুন চাঁদপুর জেলার আব্দুল মান্নানের ছেলে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুদের পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। যৌন নিপীড়নের মতো গুরুতর অপরাধে স্থানীয়ভাবে সালিশ করা আইনত দণ্ডনীয়। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে কাজ শুরু করেছে।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দুই শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে হারুন মিয়া (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পহেলা বৈশাখের বিকেলে মোবাইল গেমে আসক্ত করার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুদের ওপর এই পাশবিক আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ন্যক্কারজনক এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ‘টাকা ও জুতা প্রহারের’ মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, ভুক্তভোগী পরিবার সেই তথাকথিত বিচার প্রত্যাখ্যান করে আইনের আশ্রয় নেওয়ায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
থানা পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে অভিযুক্ত হারুন মিয়া প্রতিবেশী দুই শিশুকে খাবার খাওয়ানো ও মোবাইলে গেম খেলার কথা বলে নিজের কক্ষে ডেকে নেন। এরপর কক্ষের বাতি নিভিয়ে তাদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালান। ভুক্তভোগী দুই শিশুর বয়স মাত্র ৯ ও ৮ বছর। শিশুদের নিরাপত্তার স্বার্থে আইন অনুযায়ী তাদের নাম ও সুনির্দিষ্ট পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
ঘটনার পরদিন বুধবার রাতে স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায় একটি প্রভাবশালী মহল। বাড়ির মালিক ও স্থানীয় কয়েকজন মাতবর মিলে সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। সেখানে অভিযুক্ত হারুন মিয়াকে জুতা দিয়ে প্রহার এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানার মাধ্যমে বিষয়টি ‘মীমাংসা’ করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এমনকি তার ফ্রিজ বিক্রি করে জরিমানার অর্ধেক টাকা আদায়ও করা হয়েছিল।
তবে মাতবরদের এই বেআইনি আপস মেনে নেয়নি ভুক্তভোগী পরিবার। তারা সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত হারুন চাঁদপুর জেলার আব্দুল মান্নানের ছেলে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুদের পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। যৌন নিপীড়নের মতো গুরুতর অপরাধে স্থানীয়ভাবে সালিশ করা আইনত দণ্ডনীয়। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতে কাজ শুরু করেছে।
লোড হচ্ছে...