সাহিত্য-সংস্কৃতিসদর
শুরু হচ্ছে লক্ষ্যাপারের ২ দিনব্যাপী শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মিলন
NewsView

নিউজভিউ
“লোকসংগীত শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম উৎসধারা”—এই মূল ভাবনাকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘লক্ষ্যাপার’-এর পঞ্চদশ বার্ষিক শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মিলন। ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি, দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে সুরের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকবে প্রাচ্যের ডান্ডিখ্যাত এই জনপদ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বসবে সম্মিলনের বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী আসর। এবারের থিম রাখা হয়েছে “মুক্ত অঙ্গনে সুরে-তালে গণমানুষে যোগসাধন”। উৎসবের প্রথম দিনেই থাকছে এক বিশেষ আয়োজন—নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০ জন শিশু-কিশোর শিল্পীর কণ্ঠে ধ্বনিত হবে লোক ও শাস্ত্রীয় সংগীতের মেলবন্ধন।
উদ্বোধনী পর্বে আরও থাকছে, যন্ত্র ও তালবাদ্যে সম্মেলক লোকসংগীত। দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের একক ও দ্বৈত লোকগান। ‘সমগীত সংস্কৃতি প্রাঙ্গণ’-এর শিল্পীদের বিশেষ পরিবেশনা। ‘নৃত্যম নৃত্যশীলন কেন্দ্র’-এর লোকজ ও শাস্ত্রীয় ধারার নান্দনিক মণিপুরী নৃত্য।
সম্মিলনের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠানমালার স্থান পরিবর্তন হয়ে বসবে আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনের পরীক্ষণ থিয়েটার হলে। এদিন দুটি বিশেষ অধিবেশনে সাজানো হয়েছে পুরো আয়োজন।
বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হবে একটি আলোচনা ও বক্তৃতা অনুষ্ঠান। ‘গণমানুষের গানে রাগরূপ’ শীর্ষক এই অধিবেশনে মূল আলোচনা ও পরিচালনায় থাকবেন প্রখ্যাত সংগীতাচার্য ড. রেজোয়ান আলী। এরপরই শুরু হবে সম্মিলনের মূল আকর্ষণ শাস্ত্রীয় সংগীতের আসর। যেখানে কণ্ঠ সংগীত, এস্রাজ, বাঁশি, তবলা ও সেতারে দেশের সাতজন প্রতিভাবান শিল্পীর শাস্ত্রীয় পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে পঞ্চদশ বার্ষিক এই সম্মিলনের।
সম্মিলনের সমন্বয়ক শাশ্বতী পাল জানান, শাস্ত্রীয় সংগীত যে কেবল উচ্চমার্গের মানুষের জন্য নয়, বরং লোকসংগীতের গভীর থেকেই এর উৎপত্তি—সেই ধারণাটিই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এই আয়োজন। শহীদ মিনারের মুক্ত প্রাঙ্গণে সবার জন্য এই সুরের আসর উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
শীতের আমেজে শাস্ত্রীয় সুরের এই মিলনমেলায় অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের সংগীতপ্রেমীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে লক্ষ্যাপার পরিবার।
“লোকসংগীত শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম উৎসধারা”—এই মূল ভাবনাকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘লক্ষ্যাপার’-এর পঞ্চদশ বার্ষিক শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মিলন। ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি, দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে সুরের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকবে প্রাচ্যের ডান্ডিখ্যাত এই জনপদ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বসবে সম্মিলনের বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী আসর। এবারের থিম রাখা হয়েছে “মুক্ত অঙ্গনে সুরে-তালে গণমানুষে যোগসাধন”। উৎসবের প্রথম দিনেই থাকছে এক বিশেষ আয়োজন—নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০ জন শিশু-কিশোর শিল্পীর কণ্ঠে ধ্বনিত হবে লোক ও শাস্ত্রীয় সংগীতের মেলবন্ধন।
উদ্বোধনী পর্বে আরও থাকছে, যন্ত্র ও তালবাদ্যে সম্মেলক লোকসংগীত। দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের একক ও দ্বৈত লোকগান। ‘সমগীত সংস্কৃতি প্রাঙ্গণ’-এর শিল্পীদের বিশেষ পরিবেশনা। ‘নৃত্যম নৃত্যশীলন কেন্দ্র’-এর লোকজ ও শাস্ত্রীয় ধারার নান্দনিক মণিপুরী নৃত্য।
সম্মিলনের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠানমালার স্থান পরিবর্তন হয়ে বসবে আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনের পরীক্ষণ থিয়েটার হলে। এদিন দুটি বিশেষ অধিবেশনে সাজানো হয়েছে পুরো আয়োজন।
বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হবে একটি আলোচনা ও বক্তৃতা অনুষ্ঠান। ‘গণমানুষের গানে রাগরূপ’ শীর্ষক এই অধিবেশনে মূল আলোচনা ও পরিচালনায় থাকবেন প্রখ্যাত সংগীতাচার্য ড. রেজোয়ান আলী। এরপরই শুরু হবে সম্মিলনের মূল আকর্ষণ শাস্ত্রীয় সংগীতের আসর। যেখানে কণ্ঠ সংগীত, এস্রাজ, বাঁশি, তবলা ও সেতারে দেশের সাতজন প্রতিভাবান শিল্পীর শাস্ত্রীয় পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে পঞ্চদশ বার্ষিক এই সম্মিলনের।
সম্মিলনের সমন্বয়ক শাশ্বতী পাল জানান, শাস্ত্রীয় সংগীত যে কেবল উচ্চমার্গের মানুষের জন্য নয়, বরং লোকসংগীতের গভীর থেকেই এর উৎপত্তি—সেই ধারণাটিই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এই আয়োজন। শহীদ মিনারের মুক্ত প্রাঙ্গণে সবার জন্য এই সুরের আসর উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
শীতের আমেজে শাস্ত্রীয় সুরের এই মিলনমেলায় অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জের সর্বস্তরের সংগীতপ্রেমীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে লক্ষ্যাপার পরিবার।
লোড হচ্ছে...