অর্থ-বাণিজ্য
অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ার কারসাজি: সিটি ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজারসহ ৭ পক্ষকে বড় জরিমানা
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ার দর কারসাজির দায়ে বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক এবং এর সাবেক এক পোর্টফোলিও ম্যানেজারসহ সাত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বড় অংকের জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। জানুয়ারির এনফোর্সমেন্ট রিপোর্ট অনুযায়ী, বাজারের শৃঙ্খলা নষ্ট করে অনৈতিক মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
যেভাবে চলতো কারসাজি
বিএসইসির তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২৪ সালের জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাত্র পাঁচ মাসে অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ার দর ২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪১ টাকা ২০ পয়সায় উন্নীত করা হয়, যা প্রায় ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি। এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্যে ছিলেন সিটি ব্যাংকের তৎকালীন পোর্টফোলিও ম্যানেজার সানোয়ার খান। তিনি নিজের পদ ও প্রভাব ব্যবহার করে নিজ নামে এবং স্ত্রী ও ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে এই কারসাজি চালান।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই কারসাজির ফলে সিটি ব্যাংক ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার মূলধনী ক্ষতির সম্মুখীন হলেও সানোয়ার ও তার পরিবার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা মুনাফা হাতিয়ে নেয়।
জরিমানার পরিমাণ
কারসাজিতে প্রধান অভিযুক্ত সানোয়ার খানকে ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সহযোগী হিসেবে অন্যদেরও বিভিন্ন অংকে জরিমানা করা হয়:
আবু তাহের শিকদার: ৬২ লাখ টাকা
বিপ্লব শেখ: ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা
আনোয়ার পারভেজ খান (সানোয়ারের ভাই): ২ লাখ টাকা
উম্মে সালমা নিপা: ২ লাখ টাকা
আসমাউল হুসনা (সানোয়ারের স্ত্রী): ১ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংক: ১ লাখ টাকা
ব্যাংকের অবস্থান ও ব্যবস্থা
বিষয়টি নিয়ে সিটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সানোয়ার খান তার ব্যক্তিগত এবং স্বজনদের ট্রেডিংয়ের তথ্য গোপন রেখেছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার পর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে গত ১৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে তাকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়। ব্যাংকটি দাবি করেছে, এটি একান্তই ওই কর্মকর্তার ব্যক্তিগত অপরাধ এবং এর সাথে প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অগ্নি সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ার দর কারসাজির দায়ে বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক এবং এর সাবেক এক পোর্টফোলিও ম্যানেজারসহ সাত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বড় অংকের জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। জানুয়ারির এনফোর্সমেন্ট রিপোর্ট অনুযায়ী, বাজারের শৃঙ্খলা নষ্ট করে অনৈতিক মুনাফা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
যেভাবে চলতো কারসাজি
বিএসইসির তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২৪ সালের জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মাত্র পাঁচ মাসে অগ্নি সিস্টেমসের শেয়ার দর ২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪১ টাকা ২০ পয়সায় উন্নীত করা হয়, যা প্রায় ৬৮ শতাংশ বৃদ্ধি। এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্যে ছিলেন সিটি ব্যাংকের তৎকালীন পোর্টফোলিও ম্যানেজার সানোয়ার খান। তিনি নিজের পদ ও প্রভাব ব্যবহার করে নিজ নামে এবং স্ত্রী ও ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে এই কারসাজি চালান।
বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই কারসাজির ফলে সিটি ব্যাংক ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার মূলধনী ক্ষতির সম্মুখীন হলেও সানোয়ার ও তার পরিবার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা মুনাফা হাতিয়ে নেয়।
জরিমানার পরিমাণ
কারসাজিতে প্রধান অভিযুক্ত সানোয়ার খানকে ১ কোটি ৫১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া সহযোগী হিসেবে অন্যদেরও বিভিন্ন অংকে জরিমানা করা হয়:
আবু তাহের শিকদার: ৬২ লাখ টাকা
বিপ্লব শেখ: ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা
আনোয়ার পারভেজ খান (সানোয়ারের ভাই): ২ লাখ টাকা
উম্মে সালমা নিপা: ২ লাখ টাকা
আসমাউল হুসনা (সানোয়ারের স্ত্রী): ১ লাখ টাকা
সিটি ব্যাংক: ১ লাখ টাকা
ব্যাংকের অবস্থান ও ব্যবস্থা
বিষয়টি নিয়ে সিটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সানোয়ার খান তার ব্যক্তিগত এবং স্বজনদের ট্রেডিংয়ের তথ্য গোপন রেখেছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার পর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে গত ১৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে তাকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়। ব্যাংকটি দাবি করেছে, এটি একান্তই ওই কর্মকর্তার ব্যক্তিগত অপরাধ এবং এর সাথে প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।
লোড হচ্ছে...