নারায়ণগঞ্জ
আগুনে রোদ আর ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল নগরবাসী
NHP NewsView

সামিতুল হাসান নিরাক
শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের আকাশজুড়ে এখন আগুনের হলকা আর তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকেই সূর্যের প্রখর তাপে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজপথ। আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ নারায়ণগঞ্জের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বাতাসে আর্দ্রতার আধিক্য থাকায় শরীরে প্রকৃত অনুভূত তাপমাত্রা বা 'ফিলস লাইক' অনুভূত হচ্ছে প্রায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। ফলে সাধারণ তাপমাত্রার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি গরম অনুভূত হওয়ায় ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।
শহরের ব্যস্ততম চাষাঢ়া, ফতুল্লা এবং নিতাইগঞ্জ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র গরমে খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে রিকশাচালক ও দিনমজুরদের রোদের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে বারবার তৃষ্ণার্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। রাস্তার পিচ যেন আগুনের মতো উত্তপ্ত হয়ে আছে, যা থেকে ওঠা তাপ তরঙ্গের মতো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। পথচারীদের অনেককে ছাতা ব্যবহার করতে বা মাথার ওপর কাপড় দিয়ে রোদ থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বর্তমান পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জবাসীকে বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, অনুভূত তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি হওয়ায় হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই গরমে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের না হওয়া এবং প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাস্তার পাশের খোলা শরবত বা দূষিত পানি পান করা থেকে বিরত থাকারও তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
শহরের মোড়ে মোড়ে ভ্রাম্যমাণ ডাব ও শরবতের দোকানে ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস না থাকায় এই অসহনীয় গুমোট গরম আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চল হওয়ায় নারায়ণগঞ্জের কলকারখানাগুলোর অভ্যন্তরীণ তাপ এবং যানজটের ধোঁয়া এই গরমকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে। আগুনের মতো এই দাবদাহ থেকে মুক্তি পেতে এক পশলা বৃষ্টির জন্য এখন চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় প্রহর গুনছে পুরো নারায়ণগঞ্জবাসী।
শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের আকাশজুড়ে এখন আগুনের হলকা আর তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকেই সূর্যের প্রখর তাপে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজপথ। আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ নারায়ণগঞ্জের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বাতাসে আর্দ্রতার আধিক্য থাকায় শরীরে প্রকৃত অনুভূত তাপমাত্রা বা 'ফিলস লাইক' অনুভূত হচ্ছে প্রায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। ফলে সাধারণ তাপমাত্রার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি গরম অনুভূত হওয়ায় ঘরের বাইরে বের হওয়া মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে।
শহরের ব্যস্ততম চাষাঢ়া, ফতুল্লা এবং নিতাইগঞ্জ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র গরমে খেটে খাওয়া মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে রিকশাচালক ও দিনমজুরদের রোদের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে বারবার তৃষ্ণার্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। রাস্তার পিচ যেন আগুনের মতো উত্তপ্ত হয়ে আছে, যা থেকে ওঠা তাপ তরঙ্গের মতো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। পথচারীদের অনেককে ছাতা ব্যবহার করতে বা মাথার ওপর কাপড় দিয়ে রোদ থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বর্তমান পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জবাসীকে বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, অনুভূত তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি হওয়ায় হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই গরমে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের না হওয়া এবং প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাস্তার পাশের খোলা শরবত বা দূষিত পানি পান করা থেকে বিরত থাকারও তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
শহরের মোড়ে মোড়ে ভ্রাম্যমাণ ডাব ও শরবতের দোকানে ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। বৃষ্টির কোনো পূর্বাভাস না থাকায় এই অসহনীয় গুমোট গরম আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চল হওয়ায় নারায়ণগঞ্জের কলকারখানাগুলোর অভ্যন্তরীণ তাপ এবং যানজটের ধোঁয়া এই গরমকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে। আগুনের মতো এই দাবদাহ থেকে মুক্তি পেতে এক পশলা বৃষ্টির জন্য এখন চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় প্রহর গুনছে পুরো নারায়ণগঞ্জবাসী।
লোড হচ্ছে...