নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের মতবিনিময় সভা
NewsView

নিউজ ভিউ
দেশ আজ এক গভীর সংকটময় ও ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতির সম্মুখীন এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ১৫ মাস পর এসে সেই ঐতিহাসিক বিজয় বহুলাংশে হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় নারায়ণগঞ্জের আলী আহম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট ঘোষিত ‘জনতার সনদ-ইশতেহার’ নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
বাম গণতান্ত্রিক জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বজলুর রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশ জাসদ কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুস্তাক হোসেন এবং বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শামীম ইমাম। সভায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাসদ জেলা শাখার সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব।
সভায় বক্তারা বলেন, “বছরখানেক আগে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার এক রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেড় যুগের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসনের অবসান ঘটলেও এখন প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে—দেশ কি পরিত্যক্ত অপশাসনের নতুন কোনো সংস্করণের দিকে যাবে, নাকি উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দেশকে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় নিয়ে যাবে? এই চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে জনগণের স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে একমাত্র বামপন্থী-প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক শক্তি।”
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার সব দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ তৈরি না করে সংবিধান বহির্ভূতভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। তারা আরও অভিযোগ করেন যে, জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জনগণকে না জানিয়ে লাভজনক বন্দরসমূহ সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হচ্ছে, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, খেলাঘর উপদেষ্টা রথীন চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হালিম আজাদ, সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা ভবানী শঙ্কর রায়, অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, অ্যাডভোকেট প্রদীপ ঘোষ বাবু, শিবনাথ চক্রবর্তী, সোলেমান দেওয়ান, রঘু অভিজিৎ রায়, ধীমান সাহা জুয়েল, সালাউদ্দিন আহমেদ, সেলিম মাহমুদ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ ঘোষণা করেন যে, দুর্নীতি, লুণ্ঠন ও অধিকারহীনতার এই শাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনার ভিত্তিতে একটি বৈষম্যবিরোধী সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর সেই লক্ষ্যেই দেশের বঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
দেশ আজ এক গভীর সংকটময় ও ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতির সম্মুখীন এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের ১৫ মাস পর এসে সেই ঐতিহাসিক বিজয় বহুলাংশে হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় নারায়ণগঞ্জের আলী আহম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তনে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট ঘোষিত ‘জনতার সনদ-ইশতেহার’ নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
বাম গণতান্ত্রিক জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বজলুর রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশ জাসদ কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুস্তাক হোসেন এবং বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শামীম ইমাম। সভায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাসদ জেলা শাখার সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব।
সভায় বক্তারা বলেন, “বছরখানেক আগে ছাত্র-শ্রমিক-জনতার এক রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেড় যুগের ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসনের অবসান ঘটলেও এখন প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে—দেশ কি পরিত্যক্ত অপশাসনের নতুন কোনো সংস্করণের দিকে যাবে, নাকি উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দেশকে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় নিয়ে যাবে? এই চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে জনগণের স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে একমাত্র বামপন্থী-প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক শক্তি।”
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার সব দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ তৈরি না করে সংবিধান বহির্ভূতভাবে নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। তারা আরও অভিযোগ করেন যে, জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে জনগণকে না জানিয়ে লাভজনক বন্দরসমূহ সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়া হচ্ছে, যা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি, খেলাঘর উপদেষ্টা রথীন চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হালিম আজাদ, সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা ভবানী শঙ্কর রায়, অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, অ্যাডভোকেট প্রদীপ ঘোষ বাবু, শিবনাথ চক্রবর্তী, সোলেমান দেওয়ান, রঘু অভিজিৎ রায়, ধীমান সাহা জুয়েল, সালাউদ্দিন আহমেদ, সেলিম মাহমুদ প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ ঘোষণা করেন যে, দুর্নীতি, লুণ্ঠন ও অধিকারহীনতার এই শাসন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনার ভিত্তিতে একটি বৈষম্যবিরোধী সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর সেই লক্ষ্যেই দেশের বঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
লোড হচ্ছে...