নারায়ণগঞ্জসদর
শেখ হাসিনা বিচার-ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে নারায়ণগঞ্জেও মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন: রফিউর রাব্বি
NewsView

তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার ১৫২ মাস পূর্তিতে ন্যায়বিচারের দাবিতে আবারও রাজপথে নেমেছে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। ত্বকীর পিতাসহ বক্তারা এই হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে চিহ্নিত ওসমান পরিবারের সদস্যদের অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট এই আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচির আয়োজন করে।
কর্মসূচিতে ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি বলেন, তদন্তকারী সংস্থা র্যাব সম্প্রতি জানিয়েছে, ত্বকী হত্যার তদন্ত প্রায় শেষ এবং অচিরেই অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। এই আশার মধ্যেও তিনি সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ তোলেন।
রফিউর রাব্বি বলেন, হত্যাকারীরা দলীয় বলে শেখ হাসিনা সাড়ে এগার বছর এই বিচারটি বন্ধ করে রেখেছিলেন। তিনি দেশের বিচার-ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
তিনি দাবি করেন, ত্বকী হত্যার নির্দেশদাতা শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, ক্যাডার শাহ নিজাম সহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলের নাম অভিযোগপত্রে যুক্ত থাকতে হবে।
রফিউর রাব্বি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৪ সালের মার্চ মাসেও র্যাব সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছিল, তদন্ত শেষ—অচিরেই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। কিন্তু সেই অভিযোগপত্র একযুগেও আদালতে জমা পড়েনি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর তিন মাস পরই শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে ওসমান পরিবারকে দেখে রাখার কথা বলেছিলেন, যার পরই বিচারকার্য সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, "ইতিমধ্যে ৯৮ বার আদালত থেকে সময় নেওয়া হয়েছে। আমরা চাই এইটি যেন শত অতিক্রম না করে।" তিনি সাগর-রুনী, তনু সহ নারায়ণগঞ্জের সকল চাঞ্চল্যকর হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেন।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জন আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে ত্বকী সহ দেশে সংঘটিত সকল হত্যার বিচার করবে। তারা বিশেষভাবে ওসমান পরিবার দ্বারা সংঘটিত নারায়ণগঞ্জের আশিক, চঞ্চল, মিঠু, বুলু সহ সকল হত্যার বিচার দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই বছর আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছিলেন যে আজমেরী ওসমানের নির্দেশেই তাকে হত্যা করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, সিপিবি জেলা সভাপতি শীবনাথ চক্রবর্তী, গণসংহতি আন্দোলন জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট এই আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচির আয়োজন করে।
কর্মসূচিতে ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি বলেন, তদন্তকারী সংস্থা র্যাব সম্প্রতি জানিয়েছে, ত্বকী হত্যার তদন্ত প্রায় শেষ এবং অচিরেই অভিযোগপত্র দেওয়া হবে। এই আশার মধ্যেও তিনি সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযোগ তোলেন।
রফিউর রাব্বি বলেন, হত্যাকারীরা দলীয় বলে শেখ হাসিনা সাড়ে এগার বছর এই বিচারটি বন্ধ করে রেখেছিলেন। তিনি দেশের বিচার-ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জেও মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
তিনি দাবি করেন, ত্বকী হত্যার নির্দেশদাতা শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, ক্যাডার শাহ নিজাম সহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলের নাম অভিযোগপত্রে যুক্ত থাকতে হবে।
রফিউর রাব্বি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৪ সালের মার্চ মাসেও র্যাব সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছিল, তদন্ত শেষ—অচিরেই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। কিন্তু সেই অভিযোগপত্র একযুগেও আদালতে জমা পড়েনি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এর তিন মাস পরই শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে ওসমান পরিবারকে দেখে রাখার কথা বলেছিলেন, যার পরই বিচারকার্য সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, "ইতিমধ্যে ৯৮ বার আদালত থেকে সময় নেওয়া হয়েছে। আমরা চাই এইটি যেন শত অতিক্রম না করে।" তিনি সাগর-রুনী, তনু সহ নারায়ণগঞ্জের সকল চাঞ্চল্যকর হত্যার দ্রুত বিচার দাবি করেন।
নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বক্তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জন আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে ত্বকী সহ দেশে সংঘটিত সকল হত্যার বিচার করবে। তারা বিশেষভাবে ওসমান পরিবার দ্বারা সংঘটিত নারায়ণগঞ্জের আশিক, চঞ্চল, মিঠু, বুলু সহ সকল হত্যার বিচার দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই বছর আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছিলেন যে আজমেরী ওসমানের নির্দেশেই তাকে হত্যা করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, সিপিবি জেলা সভাপতি শীবনাথ চক্রবর্তী, গণসংহতি আন্দোলন জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
লোড হচ্ছে...