নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ভোটে খেলবেন ৪৪ প্রার্থী
NewsView

নিউজ ভিউ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নারায়ণগঞ্জের ৫টি সংসদীয় আসনেই জমে উঠছে ভোটের লেখা মনোনয়নপত্র তোলার সময়সীমা শেষে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র তুলেছেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের দফতরের তথ্য বলছে, নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে সর্বমোট ৪৪ জন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র তুলেছেন। এর মধ্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সরাসরি ৩৪ জন এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১০ জন প্রার্থী ফরম নিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ৩ জন, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ৬ জন, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ৫ জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে সর্বোচ্চ ১৮ জন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের
প্রার্থীরা।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মোট ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ দুলাল, যিনি ১৭ ডিসেম্বর সোনালী ব্যাংক রাজউক শাখা থেকে চালানের মাধ্যমে ফরম সংগ্রহ করেন। এছাড়া ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের পক্ষে মো. রেহান আফজাল ১৮ ডিসেম্বর ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ফরম সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর পক্ষে গত ২২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে আসনে মোট ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহের তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন কমিশন। এই আসনে প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. ইলিয়াছ মোল্লা, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবু হানিফ হৃদয়, বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ ও মো. আতাউর রহমান খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মো. হাফিজুল ইসলাম। গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এই প্রার্থীরা বিভিন্ন ব্যাংকের চালানের মাধ্যমে তাঁদের জামানত জমা দিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ নিশ্চিত করেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আসনে মোট ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। জেলা নির্বাচন কমিশনের তালিকায় দেখা যায়, বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান গত ২২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মসীহ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. মেহেদী হাসান ২৪ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র নেন। এই আসনে গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. ওয়াহিদুর রহমান মিশু এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিউর রহমান নান্নু মুন্সীও তাঁদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ১৮ জন। জেলা কার্যালয় থেকেই এই ১৮ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, সাবেক এমপি বিএনপির মোহাম্মদ আলী ও শেখ মো. মিশু এবং খেলাফত মজলিসের মো. ইলিয়াছ আহম্মেদ। এছাড়া বাসদ-এর সেলিম মাহমুদ, জাসদ-এর সুরাইয়া তাবাসসুম, ইসলামী আন্দোলনের মো. ইসমাইল হোসেন কাউছার এবং সিপিবির ইকবাল হোসেনের নামও তালিকায় রয়েছে। আরও রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মনির হোসাইন কাশেমী, এনসিপি’র আব্দুল্লাহ আল আমিন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে কাজী মো. জহিরুল ইসলাম, মো. শাহা আলম ও মো. সেলিম রেজা। এই আসনে প্রার্থীরা ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে তাঁদের ফরম সংগ্রহের কাজ শেষ করেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এই তালিকার অন্যতম প্রার্থীরা হলেন—বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল কালাম, খেলাফত মজলিসের এ বি এম সিরাজুল মামুন এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আল আমিন রাকিব। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মো. মাসুম বিল্লাহ, সিপিবির বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, বাসদ-এর আবু নাঈম খান বিপ্লব এবং মৈত্রী জোটের এইচ এম আমজাদ হোসেনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কমিশন। তালিকায় আরও রয়েছেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মাহমুদ হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাকসুদ হোসেন ও নারগিস আক্তার।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নারায়ণগঞ্জের ৫টি সংসদীয় আসনেই জমে উঠছে ভোটের লেখা মনোনয়নপত্র তোলার সময়সীমা শেষে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র তুলেছেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনের দফতরের তথ্য বলছে, নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে সর্বমোট ৪৪ জন সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র তুলেছেন। এর মধ্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সরাসরি ৩৪ জন এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ১০ জন প্রার্থী ফরম নিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ৩ জন, নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ৬ জন, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ৫ জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে সর্বোচ্চ ১৮ জন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের
প্রার্থীরা।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মোট ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ দুলাল, যিনি ১৭ ডিসেম্বর সোনালী ব্যাংক রাজউক শাখা থেকে চালানের মাধ্যমে ফরম সংগ্রহ করেন। এছাড়া ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের পক্ষে মো. রেহান আফজাল ১৮ ডিসেম্বর ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ফরম সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর পক্ষে গত ২২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে আসনে মোট ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহের তথ্য নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন কমিশন। এই আসনে প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. ইলিয়াছ মোল্লা, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবু হানিফ হৃদয়, বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ ও মো. আতাউর রহমান খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মো. হাফিজুল ইসলাম। গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে এই প্রার্থীরা বিভিন্ন ব্যাংকের চালানের মাধ্যমে তাঁদের জামানত জমা দিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ নিশ্চিত করেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আসনে মোট ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র নিয়েছেন। জেলা নির্বাচন কমিশনের তালিকায় দেখা যায়, বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান গত ২২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মসীহ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. মেহেদী হাসান ২৪ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র নেন। এই আসনে গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) মো. ওয়াহিদুর রহমান মিশু এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিউর রহমান নান্নু মুন্সীও তাঁদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে নারায়ণগঞ্জের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে প্রার্থীর সংখ্যা ১৮ জন। জেলা কার্যালয় থেকেই এই ১৮ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, সাবেক এমপি বিএনপির মোহাম্মদ আলী ও শেখ মো. মিশু এবং খেলাফত মজলিসের মো. ইলিয়াছ আহম্মেদ। এছাড়া বাসদ-এর সেলিম মাহমুদ, জাসদ-এর সুরাইয়া তাবাসসুম, ইসলামী আন্দোলনের মো. ইসমাইল হোসেন কাউছার এবং সিপিবির ইকবাল হোসেনের নামও তালিকায় রয়েছে। আরও রয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মনির হোসাইন কাশেমী, এনসিপি’র আব্দুল্লাহ আল আমিন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে কাজী মো. জহিরুল ইসলাম, মো. শাহা আলম ও মো. সেলিম রেজা। এই আসনে প্রার্থীরা ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে তাঁদের ফরম সংগ্রহের কাজ শেষ করেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এই তালিকার অন্যতম প্রার্থীরা হলেন—বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল কালাম, খেলাফত মজলিসের এ বি এম সিরাজুল মামুন এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আল আমিন রাকিব। এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মো. মাসুম বিল্লাহ, সিপিবির বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষ, বাসদ-এর আবু নাঈম খান বিপ্লব এবং মৈত্রী জোটের এইচ এম আমজাদ হোসেনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কমিশন। তালিকায় আরও রয়েছেন ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির মাহমুদ হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাকসুদ হোসেন ও নারগিস আক্তার।
লোড হচ্ছে...