নারায়ণগঞ্জবন্দর
বন্দরে গ্যাস বিস্ফোরণ
স্ত্রী-ছেলের পর মাইদুলেরও মৃত্যু
NewsView5
নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে স্ত্রী ও ছেলের মৃত্যুর পর এবার মারা গেলেন মাইদুল ইসলাম (২৮)। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ওই ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনেরই মৃত্যু হলো।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মাইদুলের শ্বাসনালিসহ শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
এর আগে শনিবার দুপুরে মারা যায় মাইদুলের আট বছরের ছেলে মারুফ। পরদিন সোমবার সকালে মারা যান তাঁর স্ত্রী বিউটি আক্তার (২৪)। মারুফের শরীরের ৯০ শতাংশ এবং বিউটির ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
শুক্রবার ভোরে বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকায় সালাউদ্দিনের টিনশেড ভাড়া বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই বাড়ির একটি কক্ষে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে থাকতেন মাইদুল, যিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে ঘরের ভেতর গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটে। জানালা বন্ধ থাকায় গ্যাস বের হতে পারেনি। ভোরে মাইদুল সিগারেট ধরানোর সময় আগুনের সংস্পর্শে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে মাইদুল, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে তাঁদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় টিনশেড ঘরটির ছাদ ও দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ও ঝলসে যায়। পুড়ে যায় ঘরের বিভিন্ন আসবাব ও ব্যবহার্য সামগ্রী।
মাইদুলের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মর্মান্তিক ওই ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্যই প্রাণ হারালেন।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মাইদুলের শ্বাসনালিসহ শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।
এর আগে শনিবার দুপুরে মারা যায় মাইদুলের আট বছরের ছেলে মারুফ। পরদিন সোমবার সকালে মারা যান তাঁর স্ত্রী বিউটি আক্তার (২৪)। মারুফের শরীরের ৯০ শতাংশ এবং বিউটির ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
শুক্রবার ভোরে বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকায় সালাউদ্দিনের টিনশেড ভাড়া বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই বাড়ির একটি কক্ষে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে থাকতেন মাইদুল, যিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে ঘরের ভেতর গ্যাস জমে বিস্ফোরণ ঘটে। জানালা বন্ধ থাকায় গ্যাস বের হতে পারেনি। ভোরে মাইদুল সিগারেট ধরানোর সময় আগুনের সংস্পর্শে জমে থাকা গ্যাসে বিস্ফোরণ হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে মাইদুল, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে তাঁদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় টিনশেড ঘরটির ছাদ ও দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ও ঝলসে যায়। পুড়ে যায় ঘরের বিভিন্ন আসবাব ও ব্যবহার্য সামগ্রী।
মাইদুলের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মর্মান্তিক ওই ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্যই প্রাণ হারালেন।
লোড হচ্ছে...