নারায়ণগঞ্জসদর
শিশুকে কুপিয়ে হত্যা, ৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজের ছয় দিন পর ১১ বছরের শিশু হোসাইনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চারজনকে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিহতের মা রোকছানা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় এই হত্যা মামলাটি নথিভুক্ত করেন। পুলিশ এই মামলার প্রধান আসামি ইয়াসিনকে (১৮) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও বাকি অভিযুক্তরা এখনো আত্মগোপনে রয়েছে। শিয়াচর এলাকায় পরিবারের সাথে বসবাস করা হোসাইন তার ফুল বিক্রেতা বাবাকে কাজের ফাঁকে মাঝে মাঝেই সহযোগিতা করত।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল বাসা থেকে বের হওয়ার পর হোসাইন নিখোঁজ হলে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে চারদিকে সন্ধান শুরু করে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর শুক্রবার দুপুরে ইয়াসিন নামের এক যুবকের সন্দেহজনক ফোনালাপ স্থানীয়দের নজরে এলে তাকে আটক করা হয়। জনতা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে শিশুটিকে সুকৌশলে নির্জন স্থানে নিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই রেলস্টেশন সংলগ্ন ব্যাংক কলোনীর একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে হোসাইনের পচন ধরা নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ইয়াসিন তার সহযোগী সাইফুল, তানভীর ও ইউনুসসহ আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নিয়ে হোসাইনকে ওই নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। অপরাধের প্রমাণ গোপন রাখতে ঘাতকরা মরদেহটি ওই পরিত্যক্ত কক্ষের ভেতর ফেলে রেখে পালিয়ে গিয়েছিল। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করার পর ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানিয়েছেন, আটককৃত ইয়াসিন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা কবুল করেছে। এই নৃশংস ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই বিবেচনা করছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নিখোঁজের ছয় দিন পর ১১ বছরের শিশু হোসাইনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চারজনকে সুনির্দিষ্টভাবে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিহতের মা রোকছানা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় এই হত্যা মামলাটি নথিভুক্ত করেন। পুলিশ এই মামলার প্রধান আসামি ইয়াসিনকে (১৮) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও বাকি অভিযুক্তরা এখনো আত্মগোপনে রয়েছে। শিয়াচর এলাকায় পরিবারের সাথে বসবাস করা হোসাইন তার ফুল বিক্রেতা বাবাকে কাজের ফাঁকে মাঝে মাঝেই সহযোগিতা করত।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল বাসা থেকে বের হওয়ার পর হোসাইন নিখোঁজ হলে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে চারদিকে সন্ধান শুরু করে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর শুক্রবার দুপুরে ইয়াসিন নামের এক যুবকের সন্দেহজনক ফোনালাপ স্থানীয়দের নজরে এলে তাকে আটক করা হয়। জনতা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে শিশুটিকে সুকৌশলে নির্জন স্থানে নিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই রেলস্টেশন সংলগ্ন ব্যাংক কলোনীর একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে হোসাইনের পচন ধরা নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ইয়াসিন তার সহযোগী সাইফুল, তানভীর ও ইউনুসসহ আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নিয়ে হোসাইনকে ওই নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। অপরাধের প্রমাণ গোপন রাখতে ঘাতকরা মরদেহটি ওই পরিত্যক্ত কক্ষের ভেতর ফেলে রেখে পালিয়ে গিয়েছিল। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করার পর ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম জানিয়েছেন, আটককৃত ইয়াসিন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা কবুল করেছে। এই নৃশংস ঘটনার সাথে জড়িত পলাতক অন্য আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই বিবেচনা করছে।
লোড হচ্ছে...