শিক্ষা
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে ডিসি
শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত না করে আইনের প্রয়োগ করতে চাই
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে শহরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরিবেশে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জেলা প্রশাসক জানান, বর্তমান সরকার যে সুষ্ঠু ও আধুনিক পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা চায়, সেই অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবারই প্রথম জেলার প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এই ফুটেজ যেকোনো সময় পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে এবং পরীক্ষার পরেও কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তা সংরক্ষণ করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আধুনিক এই প্রযুক্তির ব্যবহারে শিক্ষার্থী, কক্ষ পরিদর্শক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মো. রায়হান কবির বলেন, “আমরা একাধিক প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি। কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কারো কাছে মোবাইল ফোন, এমনকি ইনভিজিলেটরদের কাছেও কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস রাখার অনুমতি নেই। কেন্দ্র সচিবের কাছেও থাকছে শুধুমাত্র একটি সাধারণ বাটন ফোন। আমরা শিক্ষার্থীদের বিরক্ত বা আতঙ্কিত না করে সর্বোচ্চ আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে চাই।” জেলাজুড়ে পর্যাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে; প্রতি দুটি কেন্দ্রের জন্য একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন যাতে কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করা যায়।
এ বছর নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মোট ৫৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসএসসি, ভোকেশনাল ও দাখিল মিলিয়ে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৩ হাজার ২৫ জন।
শহর এলাকার ১৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ছোট জায়গায় অনেকগুলো কেন্দ্র থাকায় কিছুটা চাপ থাকে। তবে আমাদের ট্রাফিক পুলিশ আলাদাভাবে কাজ করছে যাতে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কোনো ভোগান্তিতে না পড়ে। তিনি প্রত্যাশা করেন, এখন পর্যন্ত যেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, পুরো পরীক্ষা প্রক্রিয়া এভাবেই সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হবে।
নারায়ণগঞ্জে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে শহরের সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরিবেশে পরীক্ষা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে জেলা প্রশাসক জানান, বর্তমান সরকার যে সুষ্ঠু ও আধুনিক পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা চায়, সেই অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবারই প্রথম জেলার প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এই ফুটেজ যেকোনো সময় পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে এবং পরীক্ষার পরেও কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তা সংরক্ষণ করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আধুনিক এই প্রযুক্তির ব্যবহারে শিক্ষার্থী, কক্ষ পরিদর্শক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মো. রায়হান কবির বলেন, “আমরা একাধিক প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি। কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কারো কাছে মোবাইল ফোন, এমনকি ইনভিজিলেটরদের কাছেও কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস রাখার অনুমতি নেই। কেন্দ্র সচিবের কাছেও থাকছে শুধুমাত্র একটি সাধারণ বাটন ফোন। আমরা শিক্ষার্থীদের বিরক্ত বা আতঙ্কিত না করে সর্বোচ্চ আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে চাই।” জেলাজুড়ে পর্যাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে; প্রতি দুটি কেন্দ্রের জন্য একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন যাতে কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করা যায়।
এ বছর নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলা ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মোট ৫৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসএসসি, ভোকেশনাল ও দাখিল মিলিয়ে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৩ হাজার ২৫ জন।
শহর এলাকার ১৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ছোট জায়গায় অনেকগুলো কেন্দ্র থাকায় কিছুটা চাপ থাকে। তবে আমাদের ট্রাফিক পুলিশ আলাদাভাবে কাজ করছে যাতে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কোনো ভোগান্তিতে না পড়ে। তিনি প্রত্যাশা করেন, এখন পর্যন্ত যেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, পুরো পরীক্ষা প্রক্রিয়া এভাবেই সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হবে।
লোড হচ্ছে...