রাজনীতি
নেতাদের ঈদ
যেভাবে ঈদ করবেন নারায়ণগঞ্জের নেতারা
NHP NewsView

সামিতুল হাসান নিরাক
ঈদুল ফিতরের উৎসবে রাজনৈতিক নেতারা কার সঙ্গে সময় কাটাবেন এবং কী করবেন- এসব প্রসঙ্গই উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত নতুন সরকার এসেছে দেশে। ফলে রাজনৈতিক চাপ বা অস্থিরতা নেই। তাই নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক নেতারা এবার ঈদ করবেন পূর্ণ উচ্ছ্বাসে। থাকবেন কর্মী সমর্থকদের পাশে। নিউজভিউকে এমনটিই বলেছেন তারা।
বর্তমানে রাষ্ট্র ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপনি নেতারা এবারের ঈদকে দেখছেন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের উৎসব হিসেবে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, “বিগত বছরগুলোয় আমাদের সরকার ক্ষমতায় না থাকলেও একটা মুক্ত পরিবেশে ঈদ উদযাপনের চেষ্টা করেছি। তবে এই বছর আমাদের দল রাষ্ট্র পরিচালনায় রয়েছে, তাই একটা বাড়তি আনন্দ আছে। এবারের ঈদ কাটাবো পরিবার ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে। আমি সব সময় এলাকাবাসী ও নেতাকর্মীদের নিয়ে ঈদ করি।”
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রদল নেতা মাশুকুল ইসলাম রাজীব বলেন, “এবারের ঈদটা পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে কাটাবো। আমাদের বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ছিল, বাংলাদেশ গণতন্ত্রের দিকে উত্তোরণ ঘটাবে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। এর চেয়ে বড় আনন্দের আর কিছু নাই। এছাড়া তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন অনেক মানুষের মধ্যে, যা ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। আমরা সামর্থ্যের শতভাগ দিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।”
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, “এবারের ঈদটা আমি নারায়ণগঞ্জবাসীর সঙ্গে উদযাপন করবো। নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত আদায় করে শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবো। সারাদিনই মানুষের দ্বারে দ্বারে যাবো এবং এরপর পরিবারের সঙ্গে ঈদের শেষ সময়টা কাটাবো।”
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। তিনি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশে মানুষের সেবার মান উন্নয়ন করেছেন। সেই উন্নত বাংলাদেশের প্রথম ঈদুল ফিতরে এবার আমি আমার পরিবারের ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিবো।”
ইসলামী ভাবধারার রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারাও এবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের পরিকল্পনা করছেন। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমির মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, “এবার নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠে ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ঈদ শুরু করবো। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদ পালন করার চেষ্টা করবো।’’
ইসলামী আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, “প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আনন্দ নিয়ে ঈদ কাটাবো ইনশাল্লাহ। এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবো। এছাড়া সব নেতাকর্মীর সঙ্গে ঈদের কুশল বিনিময় করবো।”
নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মুফতি মনির হোসেন কাসেমী বলেন, “ঈদের নামাজ আদায় করে সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবো। সামনে যে সময়টা আসবে সেটাকে আরও ভালোভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো।”
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক শওকত আলী বলেন, “আগের বারের মতো এবারও জুলাই অভ্যুত্থানের নিহত শহিদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবো। প্রতিটি পরিবারের সথঙ্গ দেখা করবো। এছাড়া ঈদের দিন নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করবো। গতবছর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তেমন একটা স্থিতিশীল কিছু পাইনি, তবুও মানুষ নানাভাবে নানা আয়োজন করেছেন।”
নারায়ণগঞ্জ মহানগর গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রাণী সরকার বলেন, “অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে একটা নতুন সরকারের আমলে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছি। আমি চাইবো প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের দিন মেহনতী ও শ্রমজীবী মানুষের সাথে ঈদ পালন করা। এছাড়া এলাকায় সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করবো ও যাদের কাছে কখনো মানুষ পৌঁছাতে পারে না সেসব অবহেলিত মানুষের সাথে আলিঙ্গন করে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিবো।”
বামপন্থী এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বরাবরের মতোই উৎসবের দিনেও শ্রমিকদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব বলেন, “প্রতিবছরের ন্যায় যেসব শ্রমিক ঈদে বাড়ি যেতে পারে না, তাদের সঙ্গে নিয়ে ঈদ উদযাপন করি। ঈদের সময় শ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সময় কাটাবো। আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয় কিন্তু দলের নেতা ও কর্মীদের সঙ্গ বেশি সময় কাটাই।”
জেলা সিপিবি সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) এর নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক হাফিজুল ইসলাম বলেন, “শ্রমিকদের নিয়ে ও তাদের দাবি আদায়ে আন্দোলন করে যাচ্ছি। তাই এবার ঈদেও অপ্রাপ্তির একটি ঈদ পালন করবো। কেননা অনেক শ্রমিক এখনো বেতন-বোনাস পায়নি। এবারও এই শ্রমজীবী মানুষের জন্য ও তাদের নিয়েই ঈদটা পালন করবো। আমাদের সংগঠন থেকে সামর্থ অনুযায়ী যতটুকু করা সম্ভব আমরা সেটা করবো শ্রমিকদের জন্য।”
রাজনৈতিক নেতাদের কথার ধ্বনিত হয়েছে- তারা জনগণ ও কর্মদের সঙ্গে ঈদের দিনটি কাটাতে চান। পাশাপাশি পরিবারকে সময় দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে তাদের মধ্য থেকে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে তারা দেখছে আনন্দ উৎসবের অনুসঙ্গ হিসেবে। তাদের এই আকাঙ্খা হয়তো নারায়ণগঞ্জের আগামী রাজনীতিকে আরও সহনশীল ও সহমর্মিতা নিয়ে যাবে।
ঈদুল ফিতরের উৎসবে রাজনৈতিক নেতারা কার সঙ্গে সময় কাটাবেন এবং কী করবেন- এসব প্রসঙ্গই উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত নতুন সরকার এসেছে দেশে। ফলে রাজনৈতিক চাপ বা অস্থিরতা নেই। তাই নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক নেতারা এবার ঈদ করবেন পূর্ণ উচ্ছ্বাসে। থাকবেন কর্মী সমর্থকদের পাশে। নিউজভিউকে এমনটিই বলেছেন তারা।
বর্তমানে রাষ্ট্র ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপনি নেতারা এবারের ঈদকে দেখছেন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের উৎসব হিসেবে। এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, “বিগত বছরগুলোয় আমাদের সরকার ক্ষমতায় না থাকলেও একটা মুক্ত পরিবেশে ঈদ উদযাপনের চেষ্টা করেছি। তবে এই বছর আমাদের দল রাষ্ট্র পরিচালনায় রয়েছে, তাই একটা বাড়তি আনন্দ আছে। এবারের ঈদ কাটাবো পরিবার ও নেতাকর্মীদের সঙ্গে। আমি সব সময় এলাকাবাসী ও নেতাকর্মীদের নিয়ে ঈদ করি।”
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ছাত্রদল নেতা মাশুকুল ইসলাম রাজীব বলেন, “এবারের ঈদটা পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে কাটাবো। আমাদের বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ছিল, বাংলাদেশ গণতন্ত্রের দিকে উত্তোরণ ঘটাবে, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। এর চেয়ে বড় আনন্দের আর কিছু নাই। এছাড়া তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন অনেক মানুষের মধ্যে, যা ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। আমরা সামর্থ্যের শতভাগ দিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি।”
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, “এবারের ঈদটা আমি নারায়ণগঞ্জবাসীর সঙ্গে উদযাপন করবো। নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত আদায় করে শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবো। সারাদিনই মানুষের দ্বারে দ্বারে যাবো এবং এরপর পরিবারের সঙ্গে ঈদের শেষ সময়টা কাটাবো।”
নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ও নারায়ণগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। তিনি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশে মানুষের সেবার মান উন্নয়ন করেছেন। সেই উন্নত বাংলাদেশের প্রথম ঈদুল ফিতরে এবার আমি আমার পরিবারের ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিবো।”
ইসলামী ভাবধারার রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারাও এবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের পরিকল্পনা করছেন। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমির মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, “এবার নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠে ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে ঈদ শুরু করবো। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদ পালন করার চেষ্টা করবো।’’
ইসলামী আন্দোলনের নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, “প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আনন্দ নিয়ে ঈদ কাটাবো ইনশাল্লাহ। এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ করবো। এছাড়া সব নেতাকর্মীর সঙ্গে ঈদের কুশল বিনিময় করবো।”
নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মুফতি মনির হোসেন কাসেমী বলেন, “ঈদের নামাজ আদায় করে সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করবো। সামনে যে সময়টা আসবে সেটাকে আরও ভালোভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো।”
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক শওকত আলী বলেন, “আগের বারের মতো এবারও জুলাই অভ্যুত্থানের নিহত শহিদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবো। প্রতিটি পরিবারের সথঙ্গ দেখা করবো। এছাড়া ঈদের দিন নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করবো। গতবছর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তেমন একটা স্থিতিশীল কিছু পাইনি, তবুও মানুষ নানাভাবে নানা আয়োজন করেছেন।”
নারায়ণগঞ্জ মহানগর গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রাণী সরকার বলেন, “অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে একটা নতুন সরকারের আমলে ঈদ উদযাপন করতে যাচ্ছি। আমি চাইবো প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের দিন মেহনতী ও শ্রমজীবী মানুষের সাথে ঈদ পালন করা। এছাড়া এলাকায় সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করবো ও যাদের কাছে কখনো মানুষ পৌঁছাতে পারে না সেসব অবহেলিত মানুষের সাথে আলিঙ্গন করে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিবো।”
বামপন্থী এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বরাবরের মতোই উৎসবের দিনেও শ্রমিকদের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব বলেন, “প্রতিবছরের ন্যায় যেসব শ্রমিক ঈদে বাড়ি যেতে পারে না, তাদের সঙ্গে নিয়ে ঈদ উদযাপন করি। ঈদের সময় শ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সময় কাটাবো। আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয় কিন্তু দলের নেতা ও কর্মীদের সঙ্গ বেশি সময় কাটাই।”
জেলা সিপিবি সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) এর নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক হাফিজুল ইসলাম বলেন, “শ্রমিকদের নিয়ে ও তাদের দাবি আদায়ে আন্দোলন করে যাচ্ছি। তাই এবার ঈদেও অপ্রাপ্তির একটি ঈদ পালন করবো। কেননা অনেক শ্রমিক এখনো বেতন-বোনাস পায়নি। এবারও এই শ্রমজীবী মানুষের জন্য ও তাদের নিয়েই ঈদটা পালন করবো। আমাদের সংগঠন থেকে সামর্থ অনুযায়ী যতটুকু করা সম্ভব আমরা সেটা করবো শ্রমিকদের জন্য।”
রাজনৈতিক নেতাদের কথার ধ্বনিত হয়েছে- তারা জনগণ ও কর্মদের সঙ্গে ঈদের দিনটি কাটাতে চান। পাশাপাশি পরিবারকে সময় দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে তাদের মধ্য থেকে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে তারা দেখছে আনন্দ উৎসবের অনুসঙ্গ হিসেবে। তাদের এই আকাঙ্খা হয়তো নারায়ণগঞ্জের আগামী রাজনীতিকে আরও সহনশীল ও সহমর্মিতা নিয়ে যাবে।
লোড হচ্ছে...