নারায়ণগঞ্জসদর
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা
নারায়ণগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ
NewsView

নিউজভিউ
পেশাদার সাংবাদিকতার দুই পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান ‘দৈনিক প্রথম আলো’ ও ‘ডেইলি স্টার’ কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ করেছেন নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিকরা। তারা এই হামলা কেবল দুটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নয় গণতন্ত্র, ও মুক্ত সাংবাদিকতার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করছেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই হামলার নিন্দা জানান। পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিকরেন।
নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ এতে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় বক্তারা সরকারের নিস্ক্রিয়তায় সমালোচনা করেন। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে “হামলাকারীরা মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, তারা জাতি ও সার্বভৌমত্বের শত্রু বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ দেশে হামলা করে সাংবাদিকতা দাবিয়ে রাখা যাবে না। পাকিস্তান আমলেও এটি সম্ভব হয়নি’”
কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর প্রতিনিধি মজিবুল হক ও ডেইলি স্টারের নিজস্ব সংবাদদাতা সৌরভ সিয়াম। প্রধান বক্তা নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও খবরের পাতা সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, “প্রথম আলো এমন এক আলো, যাকে আগুন দিয়ে নেভানো যাবে না। হামলাকারীরা কোনো রাজনৈতিক শক্তি নয়, তারা নেহাতই দুর্বৃত্ত। সাগর-রনি হত্যার বিচার না হওয়ায় আজ এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।”
দৈনিক সংবাদের প্রধান প্রতিবেদক সালাম জুবায়ের বলেন, “পত্রিকার অফিসে হামলা মানে পুরো বাংলাদেশের ওপর হামলা।” বাংলাদেশ কলামিস্ট ফোরামের মহাসচিব মীর আব্দুল আলীম বলেন, “হামলাকারীদের পাশাপাশি এর নেপথ্যের ইন্ধনদাতাদেরও খুঁজে বের করতে হবে।”
প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন বলেন, “সব সরকারের আমলেই এই পত্রিকাগুলো দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে, তার মানে পত্রিকাগুলো সত্যের পথেই আছে।” সহ-সভাপতি বিল্লাল হোসেন গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেনি বলে উল্লেখ করেন। সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, “যখনই গণমাধ্যম সত্য বলেছে, তখনই তারা আক্রান্ত হয়েছে।”
জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আহসান সাদিক সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মোহাম্মদ মাসুম, বন্দর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ জাহিদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হোসেন চিশতি শিপলু এবং সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, এটি সাংবাদিকতাকে সংকুচিত করার একটি ফ্যাসিবাদী প্রচেষ্টা।
কোষাধ্যক্ষ আনিসুর রহমান জুয়েল, সমকালের প্রতিনিধি শরীফ উদ্দিন, জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, অনলাইন পোর্টাল নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেটের সম্পাদক তাহের হোসেন, সাংবাদিক এসএম জহিরুল ইসলাম এবং মাহবুব মনি পৃথক বক্তব্যে মব জাস্টিসের নামে নৈরাজ্য বন্ধের দাবি জানান।
কবি সাংবাদিক কাজল কানন বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাব্য শীর্ষাবস্তা তৈরি করেছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এই হামলাকে আমরা কিভাবে দেখবো। যারা ব্যবসা, রাজনীতি, ধর্ম পালন ও সংস্কৃতিসহ নানা বিষয়ের সাথে আছেন, তারা সেটা পালন করুন কিন্তু দয়া করে কারো মত প্রকাশে স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ করবেন না। অতীতেও এটি এদেশের মানুষ মেনে নেয়নি, সামনেও এটি আরও ক্ষীণ হয়ে এসেছে। যাদের হাতে একটি মোবাইল ফোন আছে তারা প্রত্যাকেই একটি কণ্ঠ, একজন সাংবাদিক ও সমাজে ভোকাল হিসেবে আর্বিভূত। সুতরাং এখন সাংবাদিকতা অনেক শক্তিশালী।
তিনি আরও বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিস এনসিপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অফিসের কাছাকাছি। আপনারা মার খান সেই ফুটেজের জন্য আমাদের কাছে আসতে হয়, আপনাদের ছবিটা আমরা দেই। আপনাদের বাহিনী আছে, গোয়েন্দা আছে, পুলিশ আছে, এতো কিছু থাকা সত্বেও তারা কি এই হামলার ঘটনা বুঝতে পারেনি? অল্প কয়েকটা মানুষ কিভাবে একটা দেশের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে আক্রমণ করতে পারলো? সেই সুযোগটা আপনারাই করে দিয়েছেন। তাই আমি বলবো এই দেশে যাই করেন আপনাকে মানুষের মতের স্বাধীনতা বিশ্বাস করতে হবে, নয়তো আপনাদের অবস্থা অতীতের সরকারের মতোই হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রথম আলোর সংবাদদাতা গোলাম রাব্বানী, আমাদের সময়ের নিজস্ব প্রতিবেদক লুৎফর রহমান, জনকণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক খলিলুর রহমান, সংবাদের জেলা প্রতিনিধি আফসানা আক্তার, আলোকিত বাংলাদেশ’র শরীফ সুমন, কালের কন্ঠ’র নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রাজু, সময় টেলিভিশনের শওকত আলী, এখন টিভি’র এমরান আলী সজীব, এশিয়ান টিভি’র নোমান চৌধুরী সুমন, জি টিভি’র আশিকুর রহমান, দেশ টিভি’র বিল্লাল হোসাইন, বাংলা নিউজ’র মাহফুজুর রহমান, অনলাইন পোর্টাল প্রেস নারায়ণগঞ্জ’র সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, লাইভ নারায়ণগঞ্জ’র মোহাম্মদ কামাল হোসেন, প্রথম আলোর সাবেক আলোকচিত্রী দিনার মাহমুদ, যায়যায় দিন’র শাহাদাত হোসেন, মোহনা টিভি’র আজমীর ইসলাম, সময়ের আলোর অনু খান, ঢাকা পোস্ট’র মেহেদী হাসান সৈকত, আজকের পত্রিকার শরিফুল ইসলাম তনয়, জাগো নিউজের মো. আকাশ, কালবেলার নূরে আলম, সংবাদচর্চা পত্রিকার তুষার আহমেদ ও শেখ আরিফ, অনলাইন পোর্টাল নিউজ ভিউ’র প্রধান প্রতিবেদক নিরাক হাসান প্রেম, নিউজ নারায়ণগঞ্জ’র শাহজাহান দোলন ও প্রেস নারায়ণগঞ্জ’র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সরকার জান্নাতুল ফেরদৌস জিসান প্রমুখ।
পেশাদার সাংবাদিকতার দুই পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান ‘দৈনিক প্রথম আলো’ ও ‘ডেইলি স্টার’ কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ করেছেন নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিকরা। তারা এই হামলা কেবল দুটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নয় গণতন্ত্র, ও মুক্ত সাংবাদিকতার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করছেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই হামলার নিন্দা জানান। পাশাপাশি জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিকরেন।
নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ এতে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় বক্তারা সরকারের নিস্ক্রিয়তায় সমালোচনা করেন। সভাপতি তাঁর বক্তব্যে “হামলাকারীরা মত প্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, তারা জাতি ও সার্বভৌমত্বের শত্রু বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ দেশে হামলা করে সাংবাদিকতা দাবিয়ে রাখা যাবে না। পাকিস্তান আমলেও এটি সম্ভব হয়নি’”
কর্মসূচি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর প্রতিনিধি মজিবুল হক ও ডেইলি স্টারের নিজস্ব সংবাদদাতা সৌরভ সিয়াম। প্রধান বক্তা নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও খবরের পাতা সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, “প্রথম আলো এমন এক আলো, যাকে আগুন দিয়ে নেভানো যাবে না। হামলাকারীরা কোনো রাজনৈতিক শক্তি নয়, তারা নেহাতই দুর্বৃত্ত। সাগর-রনি হত্যার বিচার না হওয়ায় আজ এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।”
দৈনিক সংবাদের প্রধান প্রতিবেদক সালাম জুবায়ের বলেন, “পত্রিকার অফিসে হামলা মানে পুরো বাংলাদেশের ওপর হামলা।” বাংলাদেশ কলামিস্ট ফোরামের মহাসচিব মীর আব্দুল আলীম বলেন, “হামলাকারীদের পাশাপাশি এর নেপথ্যের ইন্ধনদাতাদেরও খুঁজে বের করতে হবে।”
প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন বলেন, “সব সরকারের আমলেই এই পত্রিকাগুলো দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে, তার মানে পত্রিকাগুলো সত্যের পথেই আছে।” সহ-সভাপতি বিল্লাল হোসেন গত ৫৪ বছরের ইতিহাসে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেনি বলে উল্লেখ করেন। সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, “যখনই গণমাধ্যম সত্য বলেছে, তখনই তারা আক্রান্ত হয়েছে।”
জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আহসান সাদিক সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মোহাম্মদ মাসুম, বন্দর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ জাহিদ, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হোসেন চিশতি শিপলু এবং সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, এটি সাংবাদিকতাকে সংকুচিত করার একটি ফ্যাসিবাদী প্রচেষ্টা।
কোষাধ্যক্ষ আনিসুর রহমান জুয়েল, সমকালের প্রতিনিধি শরীফ উদ্দিন, জেলা ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, অনলাইন পোর্টাল নারায়ণগঞ্জ নিউজ আপডেটের সম্পাদক তাহের হোসেন, সাংবাদিক এসএম জহিরুল ইসলাম এবং মাহবুব মনি পৃথক বক্তব্যে মব জাস্টিসের নামে নৈরাজ্য বন্ধের দাবি জানান।
কবি সাংবাদিক কাজল কানন বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাব্য শীর্ষাবস্তা তৈরি করেছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এই হামলাকে আমরা কিভাবে দেখবো। যারা ব্যবসা, রাজনীতি, ধর্ম পালন ও সংস্কৃতিসহ নানা বিষয়ের সাথে আছেন, তারা সেটা পালন করুন কিন্তু দয়া করে কারো মত প্রকাশে স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ করবেন না। অতীতেও এটি এদেশের মানুষ মেনে নেয়নি, সামনেও এটি আরও ক্ষীণ হয়ে এসেছে। যাদের হাতে একটি মোবাইল ফোন আছে তারা প্রত্যাকেই একটি কণ্ঠ, একজন সাংবাদিক ও সমাজে ভোকাল হিসেবে আর্বিভূত। সুতরাং এখন সাংবাদিকতা অনেক শক্তিশালী।
তিনি আরও বলেন, প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিস এনসিপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অফিসের কাছাকাছি। আপনারা মার খান সেই ফুটেজের জন্য আমাদের কাছে আসতে হয়, আপনাদের ছবিটা আমরা দেই। আপনাদের বাহিনী আছে, গোয়েন্দা আছে, পুলিশ আছে, এতো কিছু থাকা সত্বেও তারা কি এই হামলার ঘটনা বুঝতে পারেনি? অল্প কয়েকটা মানুষ কিভাবে একটা দেশের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে আক্রমণ করতে পারলো? সেই সুযোগটা আপনারাই করে দিয়েছেন। তাই আমি বলবো এই দেশে যাই করেন আপনাকে মানুষের মতের স্বাধীনতা বিশ্বাস করতে হবে, নয়তো আপনাদের অবস্থা অতীতের সরকারের মতোই হবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রথম আলোর সংবাদদাতা গোলাম রাব্বানী, আমাদের সময়ের নিজস্ব প্রতিবেদক লুৎফর রহমান, জনকণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক খলিলুর রহমান, সংবাদের জেলা প্রতিনিধি আফসানা আক্তার, আলোকিত বাংলাদেশ’র শরীফ সুমন, কালের কন্ঠ’র নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রাজু, সময় টেলিভিশনের শওকত আলী, এখন টিভি’র এমরান আলী সজীব, এশিয়ান টিভি’র নোমান চৌধুরী সুমন, জি টিভি’র আশিকুর রহমান, দেশ টিভি’র বিল্লাল হোসাইন, বাংলা নিউজ’র মাহফুজুর রহমান, অনলাইন পোর্টাল প্রেস নারায়ণগঞ্জ’র সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, লাইভ নারায়ণগঞ্জ’র মোহাম্মদ কামাল হোসেন, প্রথম আলোর সাবেক আলোকচিত্রী দিনার মাহমুদ, যায়যায় দিন’র শাহাদাত হোসেন, মোহনা টিভি’র আজমীর ইসলাম, সময়ের আলোর অনু খান, ঢাকা পোস্ট’র মেহেদী হাসান সৈকত, আজকের পত্রিকার শরিফুল ইসলাম তনয়, জাগো নিউজের মো. আকাশ, কালবেলার নূরে আলম, সংবাদচর্চা পত্রিকার তুষার আহমেদ ও শেখ আরিফ, অনলাইন পোর্টাল নিউজ ভিউ’র প্রধান প্রতিবেদক নিরাক হাসান প্রেম, নিউজ নারায়ণগঞ্জ’র শাহজাহান দোলন ও প্রেস নারায়ণগঞ্জ’র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সরকার জান্নাতুল ফেরদৌস জিসান প্রমুখ।
লোড হচ্ছে...