সারা দেশ
শাবকের চিৎকারে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি
মৃত মা হাতিকে বিদায় জানাতে লোকালয়ে বন্যহাতির পাল
NewsView

বন্যহাতির পাল
নিউজভিউ ডেস্ক
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ১ নম্বর ওয়ার্ড কাগজিখোলা সংলগ্ন চকরিয়া লাম্বা হাকখোলা পূর্ণ গ্রামে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকা একটি বন্য মা হাতি অবশেষে মারা গেছে। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হাতিটির মৃত্যু হয়। মা হাতিটির মৃত্যুর পর গভীর রাতে প্রায় ১০টি বন্যহাতির পাল ঘটনাস্থলে এসে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ অবস্থান করে পালটি চলে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল থেকে নূর মোহাম্মদের বাড়ির পশ্চিম পাশে হাতিটিকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। হাতিটির পাশে তার ছোট একটি শাবক ঘোরাফেরা করছিল। কেউ কাছে গেলেই শাবকটি আতঙ্কিত হয়ে ডাকাডাকি করছিল এবং মায়ের পাশ ছাড়ছিল না। এ সময় আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। তাদের খবরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ বলেন, সকাল থেকে হাতিটাকে পড়ে থাকতে দেখি। পাশে ছোট বাচ্চাটাও ছিল। মানুষ কাছে গেলেই শাবকটি চিৎকার করছিল। দৃশ্যটি খুবই হƒদয়বিদারক ছিল। আরেক বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদ বলেন, আমরা বন বিভাগকে খবর দেওয়ার পর ঈদগাঁও থেকে বন বিভাগের কর্মকর্তা উজ্জ্বল ঘটনাস্থলে আসেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় হাতিটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বন বিভাগের কর্মকর্তা উজ্জ্বল জানান, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঔষধ এনে হাতিটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। তবে, হাতিটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল ছিল। রাত ১২টার দিকে হাতিটি মারা যায়।
স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ি বনাঞ্চলে খাদ্যের সংকট দেখা দেওয়ায় প্রায়ই বন্যহাতির দল লোকালয়ে চলে আসছে। দীর্ঘদিন অপুষ্টি ও খাদ্যাভাবের কারণেই হাতিটি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মা হাতিটির মৃত্যুর কিছুক্ষণ পর গভীর রাতে প্রায় ১০টি বন্যহাতির একটি পাল ঘটনাস্থলের আশপাশে আসে। এ সময় শাবকটিকে মৃত মা হাতির কাছেই অবস্থান করতে দেখা যায়। হাতির দলটি কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে আবার পাহাড়ের দিকে চলে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে যেমন আতঙ্ক বিরাজ করছে, তেমনি মা হাতি ও শাবককে ঘিরে আবেগঘন পরিবেশেরও সৃষ্টি হয়েছে। বন বিভাগ জানিয়েছে, মৃত হাতিটির নমুনা সংগ্রহ করে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিণর্য়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ১ নম্বর ওয়ার্ড কাগজিখোলা সংলগ্ন চকরিয়া লাম্বা হাকখোলা পূর্ণ গ্রামে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকা একটি বন্য মা হাতি অবশেষে মারা গেছে। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে হাতিটির মৃত্যু হয়। মা হাতিটির মৃত্যুর পর গভীর রাতে প্রায় ১০টি বন্যহাতির পাল ঘটনাস্থলে এসে অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ অবস্থান করে পালটি চলে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল থেকে নূর মোহাম্মদের বাড়ির পশ্চিম পাশে হাতিটিকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। হাতিটির পাশে তার ছোট একটি শাবক ঘোরাফেরা করছিল। কেউ কাছে গেলেই শাবকটি আতঙ্কিত হয়ে ডাকাডাকি করছিল এবং মায়ের পাশ ছাড়ছিল না। এ সময় আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। তাদের খবরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা নূর মোহাম্মদ বলেন, সকাল থেকে হাতিটাকে পড়ে থাকতে দেখি। পাশে ছোট বাচ্চাটাও ছিল। মানুষ কাছে গেলেই শাবকটি চিৎকার করছিল। দৃশ্যটি খুবই হƒদয়বিদারক ছিল। আরেক বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদ বলেন, আমরা বন বিভাগকে খবর দেওয়ার পর ঈদগাঁও থেকে বন বিভাগের কর্মকর্তা উজ্জ্বল ঘটনাস্থলে আসেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় হাতিটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বন বিভাগের কর্মকর্তা উজ্জ্বল জানান, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ঔষধ এনে হাতিটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। তবে, হাতিটির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল ছিল। রাত ১২টার দিকে হাতিটি মারা যায়।
স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ি বনাঞ্চলে খাদ্যের সংকট দেখা দেওয়ায় প্রায়ই বন্যহাতির দল লোকালয়ে চলে আসছে। দীর্ঘদিন অপুষ্টি ও খাদ্যাভাবের কারণেই হাতিটি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মা হাতিটির মৃত্যুর কিছুক্ষণ পর গভীর রাতে প্রায় ১০টি বন্যহাতির একটি পাল ঘটনাস্থলের আশপাশে আসে। এ সময় শাবকটিকে মৃত মা হাতির কাছেই অবস্থান করতে দেখা যায়। হাতির দলটি কিছু সময় সেখানে অবস্থান করে আবার পাহাড়ের দিকে চলে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে যেমন আতঙ্ক বিরাজ করছে, তেমনি মা হাতি ও শাবককে ঘিরে আবেগঘন পরিবেশেরও সৃষ্টি হয়েছে। বন বিভাগ জানিয়েছে, মৃত হাতিটির নমুনা সংগ্রহ করে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিণর্য়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
লোড হচ্ছে...