আন্তর্জাতিক
পণ্য রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিল ইরান
NHP NewsView

নিউজভিউ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা এখন অর্থনৈতিক লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। ইরানের ট্রেড প্রমোশন অর্গানাইজেশন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পর দেশের অভ্যন্তরীণ স্টিল শিল্পে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য বজায় রাখতে ৩০ মে পর্যন্ত স্টিল স্ল্যাব ও শিট রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ ইস্পাত উৎপাদনকারী সংগঠনগুলো জানিয়েছে, কাঁচামালের ঘাটতি মেটাতে জরুরি ভিত্তিতে আমদানির পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে পাকিস্তান ও ওমান সফরের পর সরাসরি রাশিয়ায় পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচনা করে বলেন, ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত চাহিদা’র কারণেই ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। আরাগচি সতর্ক করে আরও জানান, বর্তমানে বৈশ্বিক জ্বালানি চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ রাখার বিষয়টিও ইরানের বিবেচনায় রয়েছে। তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোকে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় একজোট হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় তোড়জোড় শুরু করেছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) একটি জরুরি প্রতিক্রিয়া কমিটির (কোবরা) বৈঠক ডাক দিয়েছেন। এই বৈঠকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। সংকটকালীন সময়ে কর্মজীবী মানুষের সুরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে করণীয় নির্ধারণই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। সব মিলিয়ে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন অস্থিরতা তৈরি করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা এখন অর্থনৈতিক লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। ইরানের ট্রেড প্রমোশন অর্গানাইজেশন জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পর দেশের অভ্যন্তরীণ স্টিল শিল্পে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য বজায় রাখতে ৩০ মে পর্যন্ত স্টিল স্ল্যাব ও শিট রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশটির অভ্যন্তরীণ ইস্পাত উৎপাদনকারী সংগঠনগুলো জানিয়েছে, কাঁচামালের ঘাটতি মেটাতে জরুরি ভিত্তিতে আমদানির পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াতে পাকিস্তান ও ওমান সফরের পর সরাসরি রাশিয়ায় পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচনা করে বলেন, ওয়াশিংটনের ‘অতিরিক্ত চাহিদা’র কারণেই ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। আরাগচি সতর্ক করে আরও জানান, বর্তমানে বৈশ্বিক জ্বালানি চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ রাখার বিষয়টিও ইরানের বিবেচনায় রয়েছে। তিনি প্রতিবেশী দেশগুলোকে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় একজোট হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, ইরান যুদ্ধের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় তোড়জোড় শুরু করেছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) একটি জরুরি প্রতিক্রিয়া কমিটির (কোবরা) বৈঠক ডাক দিয়েছেন। এই বৈঠকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। সংকটকালীন সময়ে কর্মজীবী মানুষের সুরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে করণীয় নির্ধারণই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। সব মিলিয়ে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন অস্থিরতা তৈরি করেছে।
লোড হচ্ছে...