নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ৬ দিনে দেড়শ ডেঙ্গু আক্রান্ত
NewsView

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেঙ্গু জ্বরের তাণ্ডব এখন আর কেবল সংক্রমণ নয়, এটি জনস্বাস্থ্যে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। বর্ষা বিদায় নিলেও মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ করতে স্বাস্থ্য বিভাগের ব্যর্থতায় উদ্বেগ তীব্র হয়েছে। এরই মধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করায় জেলাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে তথ্যমতে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ২৪ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এক দিনের এই ব্যাপক বৃদ্ধির ফলে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ৮৯৮ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসের মাত্র ৬ দিনেই এখন পর্যন্ত মোট ১৫০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ, তবে প্রথম মৃত্যুর পর পরিস্থিতি এখন যেকোনো মুহূর্তে পাল্টে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট সুস্থ ১ হাজার ৮২০ জন, তবুও বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে তথ্যমতে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ২৪ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এক দিনের এই ব্যাপক বৃদ্ধির ফলে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ৮৯৮ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসের মাত্র ৬ দিনেই এখন পর্যন্ত মোট ১৫০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ, তবে প্রথম মৃত্যুর পর পরিস্থিতি এখন যেকোনো মুহূর্তে পাল্টে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট সুস্থ ১ হাজার ৮২০ জন, তবুও বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
লোড হচ্ছে...