নারায়ণগঞ্জ
শিক্ষাঙ্গন ছুঁয়ে মাসুদুজ্জামানের 'জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস'
NewsView

নিউজ ভিউ, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও উন্নয়নমূলক চাহিদাকে সরাসরি লিপিবদ্ধ করার জন্য মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে পরিচালিত "জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস" কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে সাড়া মিলেছে ব্যাপক। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) এই উদ্যোগটি নারায়ণগঞ্জের চারটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মোট পাঁচটি স্থানে পরিচালিত হয়।
এদিন সারাদিনব্যাপী নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ এবং মদনপুর নাজিম উদ্দিন ভূইয়া কলেজ সহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় জনমত গ্রহণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
মাসুদুজ্জামানের নেতৃত্বে আয়োজিত এই উদ্যোগে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা শিক্ষা, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা, যুব উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও স্থানীয় সেবা–ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মতামত ও প্রত্যাশা ক্যানভাসে লিখিতভাবে তুলে ধরেন।
মাসুদুজ্জামান বলেন, নারায়ণগঞ্জের মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা জানাই আমাদের প্রকৃত লক্ষ্য। যে পরিবর্তন মানুষ দেখতে চায়, তাদের কাছ থেকেই তা সরাসরি জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজকের সংগৃহীত মতামত বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা, গবেষণা ও নীতি প্রস্তাবনার জন্য সংরক্ষণ করা হবে।”
তিনি আরও জানান, নারায়ণগঞ্জের অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের মতামত সংগ্রহ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, নাগরিকদের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা এবং বাস্তব সমস্যাকে মূল্যায়ন করে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব পরিকল্পনা গ্রহণ করাই এখন সময়ের দাবি। প্রায়ই দেখা যায়, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা ও মৌলিক প্রয়োজন যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয় না। এর ফলে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নকশা এবং উন্নয়ন কাঠামোয় সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যার কারণে অনেক প্রকল্প টেকসই হয় না বা সাধারণ মানুষের উপকারে সম্পূর্ণভাবে আসতে পারে না।
"জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস" উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ সরাসরি লিখিতভাবে জানাতে পারছেন তারা কী পরিবর্তন চান এবং স্থানীয় উন্নয়নে কী ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। পরবর্তীতে এসব মতামতকে প্রাথমিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নানা উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, এটাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
এদিন সারাদিনব্যাপী নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ এবং মদনপুর নাজিম উদ্দিন ভূইয়া কলেজ সহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় জনমত গ্রহণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
মাসুদুজ্জামানের নেতৃত্বে আয়োজিত এই উদ্যোগে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা শিক্ষা, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা, যুব উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও স্থানীয় সেবা–ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মতামত ও প্রত্যাশা ক্যানভাসে লিখিতভাবে তুলে ধরেন।
মাসুদুজ্জামান বলেন, নারায়ণগঞ্জের মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা জানাই আমাদের প্রকৃত লক্ষ্য। যে পরিবর্তন মানুষ দেখতে চায়, তাদের কাছ থেকেই তা সরাসরি জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আজকের সংগৃহীত মতামত বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা, গবেষণা ও নীতি প্রস্তাবনার জন্য সংরক্ষণ করা হবে।”
তিনি আরও জানান, নারায়ণগঞ্জের অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের মতামত সংগ্রহ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, নাগরিকদের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা এবং বাস্তব সমস্যাকে মূল্যায়ন করে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব পরিকল্পনা গ্রহণ করাই এখন সময়ের দাবি। প্রায়ই দেখা যায়, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা ও মৌলিক প্রয়োজন যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয় না। এর ফলে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নকশা এবং উন্নয়ন কাঠামোয় সীমাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যার কারণে অনেক প্রকল্প টেকসই হয় না বা সাধারণ মানুষের উপকারে সম্পূর্ণভাবে আসতে পারে না।
"জনতার প্রত্যাশার ক্যানভাস" উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষ সরাসরি লিখিতভাবে জানাতে পারছেন তারা কী পরিবর্তন চান এবং স্থানীয় উন্নয়নে কী ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। পরবর্তীতে এসব মতামতকে প্রাথমিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে নানা উন্নয়ন পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, এটাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
লোড হচ্ছে...