আন্তর্জাতিক
কাতার এবং বাহারাইন থেকে ফিরছে শত শত মার্কিন সৈন্য
দুই দেশ থেকে সেনা উপস্থিতি কমাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র
NewsView4

নিউজভিউ
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে দুটি দেশ থেকে শত শত সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতার ও বাহরাইন থেকে ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। শনিবার নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কয়েকশ’ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পেন্টাগনের একাধিক সূত্রের বরাতে জানানো হয়, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাহরাইন থেকেও কিছু মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাহরাইনেই অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, যা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সামরিক কেন্দ্র।
তবে কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা কমানো হলেও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বহাল রয়েছে। ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটিতে এখনো মার্কিন বাহিনী অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কা থেকেই এই সেনা প্রত্যাহারকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এমন হামলা হলে ইরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও সেনাদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘে ইরানের মিশন প্রধান সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর আঘাত এলে অঞ্চলে থাকা ‘শত্রু শক্তির’ সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তার ‘অপ্রত্যাশিত ও নিয়ন্ত্রণহীন পরিণতির’ দায় সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। উল্লেখ্য, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, যেখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কয়েকশ’ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পেন্টাগনের একাধিক সূত্রের বরাতে জানানো হয়, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাহরাইন থেকেও কিছু মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাহরাইনেই অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, যা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সামরিক কেন্দ্র।
তবে কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা কমানো হলেও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বহাল রয়েছে। ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটিতে এখনো মার্কিন বাহিনী অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কা থেকেই এই সেনা প্রত্যাহারকে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এমন হামলা হলে ইরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও সেনাদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘে ইরানের মিশন প্রধান সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর আঘাত এলে অঞ্চলে থাকা ‘শত্রু শক্তির’ সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তার ‘অপ্রত্যাশিত ও নিয়ন্ত্রণহীন পরিণতির’ দায় সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। উল্লেখ্য, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি, যেখানে প্রায় ১০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
লোড হচ্ছে...