জাতীয়
এক বছরেই সরকারের লোকসান অর্ধকোটি টাকা
NHP NewsView

হোমনায় ঘারমোড়া বাজারের ইজারা দরপতন
নিউজভিউ
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঘারমোড়া বাজারের ইজারা নিয়ে নজিরবিহীন আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই বাজারের ইজারা দর কমেছে প্রায় অর্ধকোটি টাকা। বাজারের আয়তন বা বাণিজ্যিক পরিধি অপরিবর্তিত থাকলেও সরকারের এই বিপুল অংকের রাজস্ব ঘাটতি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরে ঘারমোড়া বাজারের ইজারা পেয়েছেন ঘারমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু মুসা। ভ্যাট ও আয়কর ব্যতিরেকে এবার গত তিন বছরের গড় ইজারা মূল্য ধরা হয়েছে ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৫ টাকা। অথচ ঠিক গত বছর (পূর্ববর্তী অর্থবছর) একই বাজারের ইজারা মূল্য ছিল ১ কোটি ১১ লাখ ১১ হাজার ১০০ টাকা। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ইজারা মূল্য কমেছে ৪৯ লাখ ৭৪ হাজার ২৫ টাকা, যা প্রায় অর্ধকোটি টাকার সমান।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ছিল দরপত্র জমা ও খোলার শেষ তারিখ। এদিন কোনো কার্যকর প্রতিযোগিতা ছাড়াই সরকারি নির্ধারিত মূল্যের সাথে মাত্র ৬ হাজার টাকা যোগ করে ৬১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫ টাকা দর দিয়ে একমাত্র কার্যকর দরপত্রটি জমা দেওয়া হয়। বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ওই দরেই বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অভ্যন্তরীণ সমঝোতার কারণেই প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র জমা পড়েনি, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সরকারি কোষাগারে।
উপজেলার অন্যতম বৃহৎ এই বাজারে বেচাকেনা বা রাজস্ব আদায়ের উৎস কমেনি, বরং দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইজারা দর প্রায় অর্ধেকে নেমে আসায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, যথাযথ তদারকির অভাবে সরকার এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
এ বিষয়ে হোমনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, গত তিন বছরের ইজারা মূল্যের গড় করে এবারের সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যথাযথ নিয়ম মেনেই তিন দফা দরপত্র আহ্বান করে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং প্রাপ্ত দরপত্রের মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতাকেই ইজারা প্রদান করা হয়েছে। তবে এক বছরের ব্যবধানে কেন এত বড় অঙ্কের ব্যবধান তৈরি হলো, তা নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন থামছে না।
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঘারমোড়া বাজারের ইজারা নিয়ে নজিরবিহীন আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই বাজারের ইজারা দর কমেছে প্রায় অর্ধকোটি টাকা। বাজারের আয়তন বা বাণিজ্যিক পরিধি অপরিবর্তিত থাকলেও সরকারের এই বিপুল অংকের রাজস্ব ঘাটতি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরে ঘারমোড়া বাজারের ইজারা পেয়েছেন ঘারমোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু মুসা। ভ্যাট ও আয়কর ব্যতিরেকে এবার গত তিন বছরের গড় ইজারা মূল্য ধরা হয়েছে ৬১ লাখ ৩১ হাজার ৭৫ টাকা। অথচ ঠিক গত বছর (পূর্ববর্তী অর্থবছর) একই বাজারের ইজারা মূল্য ছিল ১ কোটি ১১ লাখ ১১ হাজার ১০০ টাকা। অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ইজারা মূল্য কমেছে ৪৯ লাখ ৭৪ হাজার ২৫ টাকা, যা প্রায় অর্ধকোটি টাকার সমান।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ছিল দরপত্র জমা ও খোলার শেষ তারিখ। এদিন কোনো কার্যকর প্রতিযোগিতা ছাড়াই সরকারি নির্ধারিত মূল্যের সাথে মাত্র ৬ হাজার টাকা যোগ করে ৬১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৫ টাকা দর দিয়ে একমাত্র কার্যকর দরপত্রটি জমা দেওয়া হয়। বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ওই দরেই বাজারটি ইজারা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অভ্যন্তরীণ সমঝোতার কারণেই প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র জমা পড়েনি, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সরকারি কোষাগারে।
উপজেলার অন্যতম বৃহৎ এই বাজারে বেচাকেনা বা রাজস্ব আদায়ের উৎস কমেনি, বরং দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইজারা দর প্রায় অর্ধেকে নেমে আসায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, যথাযথ তদারকির অভাবে সরকার এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
এ বিষয়ে হোমনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, গত তিন বছরের ইজারা মূল্যের গড় করে এবারের সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যথাযথ নিয়ম মেনেই তিন দফা দরপত্র আহ্বান করে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং প্রাপ্ত দরপত্রের মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতাকেই ইজারা প্রদান করা হয়েছে। তবে এক বছরের ব্যবধানে কেন এত বড় অঙ্কের ব্যবধান তৈরি হলো, তা নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন থামছে না।
লোড হচ্ছে...