নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত
NewsView

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ জনস্বাস্থ্যে চরম বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। বর্ষা মৌসুম বিদায় নিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ ব্যর্থ হওয়ায় জেলাজুড়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে, যা অনিয়ন্ত্রিত এই পরিস্থিতিকে আরও দিশেহারা করে তুলেছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার, ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত) জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ১২ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একদিনে এত সংখ্যক রোগীর ভর্তির ফলে চলতি বছরে জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ২০৮০ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবল চলতি নভেম্বর মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ৩৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে, গত চব্বিশ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাদের মতে, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন (মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪১ জন), তবুও হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এবং সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার, ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত) জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ১২ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একদিনে এত সংখ্যক রোগীর ভর্তির ফলে চলতি বছরে জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ২০৮০ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবল চলতি নভেম্বর মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ৩৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে, গত চব্বিশ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাদের মতে, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন (মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪১ জন), তবুও হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এবং সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
লোড হচ্ছে...