নারায়ণগঞ্জসদর
জনপ্রতিনিধিদের রফিউর রাব্বি
বিভেদ ভুলে মানুষের জন্য কাজ করুন
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাব অডিটোরিয়ামে নাগরিক সংগঠন ‘আমার নারায়ণগঞ্জ’ আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রফিউর রাব্বি বলেন, “কোনো অঞ্চলের উন্নয়ন করতে চাইলে সেই অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিদের মিলিতভাবে উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা দেখেছি, নারায়ণগঞ্জে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ কখনো গ্রহণ করা হয় নাই। এক সংসদ সদস্য উদ্যোগ নিলে আরেক সংসদ সদস্য বাধা দিয়েছেন। মেয়র উদ্যোগ নিলে, সংসদ সদস্য বাধা দিয়েছেন। বিগত সরকারের সময় এই জটিলতায় সিটি কর্পোরেশনের অনেক উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন অন্তত সম্মিলিতভাবে আমাদের নারায়ণগঞ্জের জনপ্রতিনিধি যারা নির্বাচিত হয়েছেন, সকলেই বিভেদ ভুলে মানুষের জন্য কাজ করবেন—এটিই আমাদের আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা।”
নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস ও অবকাঠামো নিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা রাজধানী হওয়ার কয়েকশ বছর আগে নারায়ণগঞ্জ প্রতিষ্ঠা পেলেও অর্থনীতির বড় যোগানদাতা হয়েও এই শহর কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি রাজনীতি ও সদিচ্ছার অভাবে। শহরের প্রধান সংকট যানজট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি নিরসন করা মোটেও দুঃসাধ্য নয়। যদি ১ নম্বর রেলগেট থেকে খানপুর সড়ক প্রশস্ত করা যায় এবং ২ নম্বর রেলগেট থেকে চাষাঢ়া পর্যন্ত রেললাইন ধরে বিকল্প রাস্তা তৈরি করা হয়, তবে বঙ্গবন্ধু সড়কের ওপর চাপ কমবে। প্রশাসন, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত সদিচ্ছাই পারে নারায়ণগঞ্জের চেহারা বদলে দিতে। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর মানুষের শান্তি ও মঙ্গল কামনা করেন।
‘আমার নারায়ণগঞ্জ’ এর আহ্বায়ক মাসুদুজ্জামান মাসুদের সভাপতিত্বে এবং জাহিদুল হক দিপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের প্রায় সকল স্তরের নেতারা উপস্থিতি এক বিরল মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ খান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব।
ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিকেএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বর্তমান সহ-সভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম, বর্তমান সভাপতি আবু সাউদ মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি। ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, জামায়াতে ইসলামীর মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, সাবেক আমীর মাওলানা মাঈনুদ্দিন আহমাদ এবং ইসলামী আন্দোলনের মহানগর সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ।
বিএনপি ও অন্যান্য দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মুকুল, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম সুজন, নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, মহানগর কমিটির সমন্বয়কারী নিয়ামুর রশীদ বিপ্লব ও নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রানী সরকার। সাবেক কাউন্সিলরদের মধ্যে মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, শওকত হাশেম শকু, আফসানা আফরোজ বিভা হাসান, আয়েশা আক্তার দিনা ও অসিত বরণ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন, নারী নেত্রী দিলারা মাসুদ ময়না, সনু রানী দাস এবং যুব ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে মনিরুল ইসলাম সজল, শাহেদ আহমেদ, সাখাওয়াত ইসলাম রানা ও ফারহানা মানিক মুনা।
নারায়ণগঞ্জের দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের পারস্পরিক বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাব অডিটোরিয়ামে নাগরিক সংগঠন ‘আমার নারায়ণগঞ্জ’ আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রফিউর রাব্বি বলেন, “কোনো অঞ্চলের উন্নয়ন করতে চাইলে সেই অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিদের মিলিতভাবে উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা দেখেছি, নারায়ণগঞ্জে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ কখনো গ্রহণ করা হয় নাই। এক সংসদ সদস্য উদ্যোগ নিলে আরেক সংসদ সদস্য বাধা দিয়েছেন। মেয়র উদ্যোগ নিলে, সংসদ সদস্য বাধা দিয়েছেন। বিগত সরকারের সময় এই জটিলতায় সিটি কর্পোরেশনের অনেক উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন অন্তত সম্মিলিতভাবে আমাদের নারায়ণগঞ্জের জনপ্রতিনিধি যারা নির্বাচিত হয়েছেন, সকলেই বিভেদ ভুলে মানুষের জন্য কাজ করবেন—এটিই আমাদের আন্তরিক আকাঙ্ক্ষা।”
নারায়ণগঞ্জের ইতিহাস ও অবকাঠামো নিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা রাজধানী হওয়ার কয়েকশ বছর আগে নারায়ণগঞ্জ প্রতিষ্ঠা পেলেও অর্থনীতির বড় যোগানদাতা হয়েও এই শহর কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি রাজনীতি ও সদিচ্ছার অভাবে। শহরের প্রধান সংকট যানজট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি নিরসন করা মোটেও দুঃসাধ্য নয়। যদি ১ নম্বর রেলগেট থেকে খানপুর সড়ক প্রশস্ত করা যায় এবং ২ নম্বর রেলগেট থেকে চাষাঢ়া পর্যন্ত রেললাইন ধরে বিকল্প রাস্তা তৈরি করা হয়, তবে বঙ্গবন্ধু সড়কের ওপর চাপ কমবে। প্রশাসন, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত সদিচ্ছাই পারে নারায়ণগঞ্জের চেহারা বদলে দিতে। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর মানুষের শান্তি ও মঙ্গল কামনা করেন।
‘আমার নারায়ণগঞ্জ’ এর আহ্বায়ক মাসুদুজ্জামান মাসুদের সভাপতিত্বে এবং জাহিদুল হক দিপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের প্রায় সকল স্তরের নেতারা উপস্থিতি এক বিরল মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ খান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুকুল ইসলাম রাজীব।
ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিকেএমইএ’র সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বর্তমান সহ-সভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম, বর্তমান সভাপতি আবু সাউদ মাসুদ ও সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি। ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, জামায়াতে ইসলামীর মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, সাবেক আমীর মাওলানা মাঈনুদ্দিন আহমাদ এবং ইসলামী আন্দোলনের মহানগর সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ।
বিএনপি ও অন্যান্য দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মুকুল, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম সুজন, নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, মহানগর কমিটির সমন্বয়কারী নিয়ামুর রশীদ বিপ্লব ও নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রানী সরকার। সাবেক কাউন্সিলরদের মধ্যে মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, শওকত হাশেম শকু, আফসানা আফরোজ বিভা হাসান, আয়েশা আক্তার দিনা ও অসিত বরণ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন, নারী নেত্রী দিলারা মাসুদ ময়না, সনু রানী দাস এবং যুব ও ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে মনিরুল ইসলাম সজল, শাহেদ আহমেদ, সাখাওয়াত ইসলাম রানা ও ফারহানা মানিক মুনা।
লোড হচ্ছে...