রাজনীতিবন্দর
বন্দরবাসী এবার ব্যালটের মাধ্যমে উচিত জবাব দেবে: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর কদম রসূল সেতু বন্দরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। যারা এই জনগুরুত্বপূর্ণ সেতুর বিরোধিতা করেছে, তারা কোনোভাবেই বন্দরের মানুষের সমর্থন ও ভোট পাওয়ার যোগ্য নয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বন্দর এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংযোগকালে ভোটারদের উদ্দেশে তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, কদম রসূল সেতু কেবল একটি অবকাঠামো নয়, এটি শহর ও বন্দরের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি। এই সেতু নির্মিত হলে দুই পাড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি শিল্প-বাণিজ্য ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের দ্রুত প্রসার ঘটবে। কিন্তু অতীতে আমরা দেখেছি, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এই সেতুর বিরোধিতা করেছে এবং বন্দরবাসীর স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়েছে। সচেতন বন্দরবাসী এবার ব্যালটের মাধ্যমে তাদের উচিত জবাব দেবে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে হলে সৎ ও সাহসী নেতৃত্বের বিকল্প নেই। অতীতে বন্দরবাসী বারবার উন্নয়নের নামে আশ্বাসের বানী শুনলেও প্রকৃত অর্থে অনেক ক্ষেত্রেই অবহেলিত থেকেছে। তারিকুল প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কদম রসূল সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করব। এছাড়া বন্দর এলাকাকে একটি আধুনিক ও বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে যুবসমাজকে মুক্ত করাই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার।”
পথসভা ও গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলাম সুজন সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্বাচনি লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় সাধারণ মানুষের মাঝে ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। ভোটাররা তাঁকে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানান এবং পরিবর্তনের পক্ষে কাজ করার আশ্বাস দেন।
গণসংযোগে তারিকুল ইসলামের সাথে গণসংহতি আন্দোলন ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির স্থানীয় নেতারা এবং বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন বলেছেন, শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর কদম রসূল সেতু বন্দরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। যারা এই জনগুরুত্বপূর্ণ সেতুর বিরোধিতা করেছে, তারা কোনোভাবেই বন্দরের মানুষের সমর্থন ও ভোট পাওয়ার যোগ্য নয়। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বন্দর এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংযোগকালে ভোটারদের উদ্দেশে তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, কদম রসূল সেতু কেবল একটি অবকাঠামো নয়, এটি শহর ও বন্দরের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি। এই সেতু নির্মিত হলে দুই পাড়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের পাশাপাশি শিল্প-বাণিজ্য ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের দ্রুত প্রসার ঘটবে। কিন্তু অতীতে আমরা দেখেছি, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এই সেতুর বিরোধিতা করেছে এবং বন্দরবাসীর স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়েছে। সচেতন বন্দরবাসী এবার ব্যালটের মাধ্যমে তাদের উচিত জবাব দেবে।
তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে হলে সৎ ও সাহসী নেতৃত্বের বিকল্প নেই। অতীতে বন্দরবাসী বারবার উন্নয়নের নামে আশ্বাসের বানী শুনলেও প্রকৃত অর্থে অনেক ক্ষেত্রেই অবহেলিত থেকেছে। তারিকুল প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কদম রসূল সেতুর কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করব। এছাড়া বন্দর এলাকাকে একটি আধুনিক ও বিশেষায়িত শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে যুবসমাজকে মুক্ত করাই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার।”
পথসভা ও গণসংযোগকালে তারিকুল ইসলাম সুজন সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্বাচনি লিফলেট বিতরণ করেন। এসময় সাধারণ মানুষের মাঝে ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়। ভোটাররা তাঁকে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানান এবং পরিবর্তনের পক্ষে কাজ করার আশ্বাস দেন।
গণসংযোগে তারিকুল ইসলামের সাথে গণসংহতি আন্দোলন ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির স্থানীয় নেতারা এবং বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...