সারা দেশ
দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর আলেকজান্ডার বেড়িবাঁধ
NewsView6

বেড়িবাঁধ এলাকায় ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা
নিউজভিউ ডেস্ক
মেঘনা নদীর রূপরস আর প্রকৃতি মিলে লক্ষ্মীপুর জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার বেড়িবাঁধকে করে তুলেছে অপরূপ সৌন্দর্য। ঈদের ছুটি শেষ হলেও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর এলাকাটি। নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ সপরিবারে এখানে ঘুরতে এসে আনন্দ উল্লাস করে সময় কাটাচ্ছেন।
ঈদের ছুটিসহ অবসরে পরিবার নিয়ে বিনোদনের জন্য মেঘনাপাড়ের সাড়ে তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এখন রূপ নিয়েছে মিনি কক্সবাজারে। এছাড়া মেঘনার স্বচ্ছ পানির স্পর্শ, সূর্যাস্তসহ নান্দনিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা। তারা বলছেন, এখানে এসে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মতো পরিবেশ পাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখা যায়। তাছাড়া নদীর হিমেল হাওয়ায় শরীরটা জুড়িয়ে নিতে এখানে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। দল বেঁধে আসতে দেখা গেছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদেরও। অনেকে নদীতে স্পিডবোট এবং নৌকায় করে ঘুরে বেড়ান। পরিবার-পরিজন নিয়ে দেখতে আসেন মেঘনা নদীবেষ্টিত বিভিন্ন চর-ডুবো চরে গরু মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার বাথান।
দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এখানে থানার পুলিশ ও আনসার সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের বসার জন্য স্থায়ীভাবে পাকা ও টাইলস করে কিছু ছাতা নির্মাণ করেছে। এছাড়া স্ট্রিট সোলার থাকলেও তা এখন আর জ্বলছে না।
সরেজমিনে মেঘনাপাড়ে গেলে নোয়াখালীর মাইজদী, সোনাপুর, সুবর্ণচর এবং লক্ষ্মীপুরের শহর থেকে ঘুরতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, ‘ফেসবুক, গণমাধ্যম এবং বন্ধু-বান্ধবদের মাধ্যমে জেনে এখানে বেড়াতে এসেছি। আসলে জায়গাটা অনেক সুন্দর ও মনোরম লাগছে।
বিশেষ করে সূর্যাস্ত, নির্মল বাতাস ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দারুণভাবে উপভোগ করেছি। তারপর সন্ধ্যা ঘনিয়ে যখন রাত আসে, পুরো বেড়িবাঁধ এলাকায় বিভিন্ন দোকানের বাতির আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে, তখন বাঁধ এলাকাটি অন্যরকম সৌন্দর্যে ডুব দেয়। এখান থেকে নদী এবং তীর সংলগ্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে অপার লীলা উপভোগ করা যায়। এ যেন এক মিনি কক্সবাজার।’
তারা আরো বলেন, ‘মেঘনা তীরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দর্শনার্থীদের আরো আকৃষ্ট করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সজাগ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। এটি দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকলেও পর্যটন এলাকা হিসেবে এখনো স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। তাই একে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করার জন্য দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, রামগতির এই জনপদটি ছিল ভাঙনপ্রবণ এলাকা। অব্যাহত ভাঙন ঠেকিয়ে এলাকাটি এখন বিনোদন স্পটে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই এখানে ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা। রামগতিসহ আশপাশের জেলার মানুষও এখানে মেঘনায় সূর্যাস্তের আদলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে আসছেন।
ঘুরতে আসা পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ঝাউগাছ, ফুলের বাগান ও বসার জন্য টাইলস করে ছাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাড়তি বিনোদনের জন্য ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন-ক্যামেরা ছাড়াও ব্যাবসায়িক ফটোগ্রাফারদের জন্য উš§ুক্ত রাখা হয়েছে। পর্যটন স্পটের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পর্যটকদের নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মেঘনা নদীর রূপরস আর প্রকৃতি মিলে লক্ষ্মীপুর জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার বেড়িবাঁধকে করে তুলেছে অপরূপ সৌন্দর্য। ঈদের ছুটি শেষ হলেও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর এলাকাটি। নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ সপরিবারে এখানে ঘুরতে এসে আনন্দ উল্লাস করে সময় কাটাচ্ছেন।
ঈদের ছুটিসহ অবসরে পরিবার নিয়ে বিনোদনের জন্য মেঘনাপাড়ের সাড়ে তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এখন রূপ নিয়েছে মিনি কক্সবাজারে। এছাড়া মেঘনার স্বচ্ছ পানির স্পর্শ, সূর্যাস্তসহ নান্দনিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন দর্শনার্থীরা। তারা বলছেন, এখানে এসে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মতো পরিবেশ পাচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখা যায়। তাছাড়া নদীর হিমেল হাওয়ায় শরীরটা জুড়িয়ে নিতে এখানে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। দল বেঁধে আসতে দেখা গেছে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদেরও। অনেকে নদীতে স্পিডবোট এবং নৌকায় করে ঘুরে বেড়ান। পরিবার-পরিজন নিয়ে দেখতে আসেন মেঘনা নদীবেষ্টিত বিভিন্ন চর-ডুবো চরে গরু মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার বাথান।
দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এখানে থানার পুলিশ ও আনসার সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের বসার জন্য স্থায়ীভাবে পাকা ও টাইলস করে কিছু ছাতা নির্মাণ করেছে। এছাড়া স্ট্রিট সোলার থাকলেও তা এখন আর জ্বলছে না।
সরেজমিনে মেঘনাপাড়ে গেলে নোয়াখালীর মাইজদী, সোনাপুর, সুবর্ণচর এবং লক্ষ্মীপুরের শহর থেকে ঘুরতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থী বলেন, ‘ফেসবুক, গণমাধ্যম এবং বন্ধু-বান্ধবদের মাধ্যমে জেনে এখানে বেড়াতে এসেছি। আসলে জায়গাটা অনেক সুন্দর ও মনোরম লাগছে।
বিশেষ করে সূর্যাস্ত, নির্মল বাতাস ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দারুণভাবে উপভোগ করেছি। তারপর সন্ধ্যা ঘনিয়ে যখন রাত আসে, পুরো বেড়িবাঁধ এলাকায় বিভিন্ন দোকানের বাতির আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে, তখন বাঁধ এলাকাটি অন্যরকম সৌন্দর্যে ডুব দেয়। এখান থেকে নদী এবং তীর সংলগ্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে অপার লীলা উপভোগ করা যায়। এ যেন এক মিনি কক্সবাজার।’
তারা আরো বলেন, ‘মেঘনা তীরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দর্শনার্থীদের আরো আকৃষ্ট করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সজাগ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। এটি দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকলেও পর্যটন এলাকা হিসেবে এখনো স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। তাই একে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করার জন্য দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, রামগতির এই জনপদটি ছিল ভাঙনপ্রবণ এলাকা। অব্যাহত ভাঙন ঠেকিয়ে এলাকাটি এখন বিনোদন স্পটে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই এখানে ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা। রামগতিসহ আশপাশের জেলার মানুষও এখানে মেঘনায় সূর্যাস্তের আদলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে আসছেন।
ঘুরতে আসা পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ঝাউগাছ, ফুলের বাগান ও বসার জন্য টাইলস করে ছাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাড়তি বিনোদনের জন্য ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন-ক্যামেরা ছাড়াও ব্যাবসায়িক ফটোগ্রাফারদের জন্য উš§ুক্ত রাখা হয়েছে। পর্যটন স্পটের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পর্যটকদের নিরাপত্তায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
লোড হচ্ছে...