সারা দেশ
২ সাংবাদিক আহত
শিশু ধর্ষণচেষ্টায় চট্টগ্রামে বিক্ষোভ
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানা এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো এলাকা। আটক আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার দাবিতে পুলিশের গাড়ি আটকে দীর্ঘ সময় বিক্ষোভ করেছে উত্তেজিত জনতা। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়লে দুই গণমাধ্যমকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেল থেকে শুরু হয় এই বিক্ষোভ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান ঘাটা আবু জাফর রোড এলাকায় একটি ডেকোরেশনের দোকানে এই ঘটনা ঘটে। ওই দোকানের এক কর্মচারী চার বছরের এক শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।
খবর পেয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ডেকোরেশন কর্মচারীকে আটক করে। তবে পুলিশ তাকে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে আসার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ জনতা বাধা দেয়। আসামিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে তারা পুলিশের গাড়িটি চারপাশ থেকে আটকে রেখে স্লোগান দিতে থাকে।
জনতাকে বুঝিয়েও রাস্তা থেকে সরাতে না পেরে একপর্যায়ে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনরত দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, "ধর্ষণচেষ্টার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে আসামিকে আটক করে এবং আক্রান্ত শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু আসামিকে থানায় নিয়ে আসার পথে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা পথ আটকে দেয়। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছি যে, আইন অনুযায়ী আসামির কঠোর বিচার নিশ্চিত করা হবে।"
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং অবরুদ্ধ গাড়িটি মুক্ত করতে পুলিশ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যান ঘাটা আবু জাফর রোড এলাকায় একটি ডেকোরেশনের দোকানে এই ঘটনা ঘটে। ওই দোকানের এক কর্মচারী চার বছরের এক শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন।
খবর পেয়ে বাকলিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ডেকোরেশন কর্মচারীকে আটক করে। তবে পুলিশ তাকে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে আসার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ জনতা বাধা দেয়। আসামিকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে তারা পুলিশের গাড়িটি চারপাশ থেকে আটকে রেখে স্লোগান দিতে থাকে।
জনতাকে বুঝিয়েও রাস্তা থেকে সরাতে না পেরে একপর্যায়ে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালনরত দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, "ধর্ষণচেষ্টার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে আসামিকে আটক করে এবং আক্রান্ত শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু আসামিকে থানায় নিয়ে আসার পথে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা পথ আটকে দেয়। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছি যে, আইন অনুযায়ী আসামির কঠোর বিচার নিশ্চিত করা হবে।"
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং অবরুদ্ধ গাড়িটি মুক্ত করতে পুলিশ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
লোড হচ্ছে...