বিনোদন
নারায়ণগঞ্জের মেয়ে তামান্না মেহেরুন জিতলেন ‘ফটোফি বর্ষসেরা আলোকচিত্রী’ পুরস্কার
NewsView

নিউজভিউ
আলোকচিত্রের সৃজনশীল আঙিনায় নারায়ণগঞ্জের নাম উজ্জ্বল করলেন তরুণ আলোকচিত্রী তামান্না মেহেরুন। ‘দ্য টেল অব হেল’ (উপশমের গল্প) শিরোনামে একগুচ্ছ অনবদ্য আলোকচিত্রের জন্য তিনি সম্মানজনক ‘ফটোফি বর্ষসেরা আলোকচিত্রী ২০২৫’ পুরস্কার অর্জন করেছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরের বাতিঘরে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাঁর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ফাইন আর্ট ফটোগ্রাফি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘ফটোফি একাডেমি অব ফাইন আর্ট ফটোগ্রাফি’ গত ১৪ বছর ধরে প্রতিশ্রুতিশীল আলোকচিত্রীদের এই স্বীকৃতি প্রদান করে আসছে।
পুরস্কার প্রাপ্তির পর তামান্না মেহেরুন তাঁর অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, "প্রতিটা মানুষের মনের গহীন অরণ্যে একটা একান্ত ঘর থাকে। জীবনের নানা অস্থিরতার মাঝে প্রকৃতির ঝরা পাতারা আমাকে নিরাময় দেয়। সেই গভীর উপলব্ধি থেকেই এই ছবিগুলোর জন্ম।"
নারায়ণগঞ্জের এই মেধাবী তরুণী মার্কেটিংয়ে স্নাতক শেষ করার পর বর্তমানে দেশের স্বনামধন্য ফটোগ্রাফি স্কুল ‘কাউন্টার ফটো’তে প্রফেশনাল ডিপ্লোমা করছেন। তাঁর এই শৈল্পিক অর্জনে নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল মহলে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।
অনুষ্ঠানে তামান্নার হাতে পুরস্কার তুলে দেন বরেণ্য আলোকচিত্রী মোহাম্মদ রকিবুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, আলোকচিত্রী মো. কাউছার হাবিব সোমেল এবং ফটোফির প্রতিষ্ঠাতা সুদীপ্ত সালাম। বিজয়ী হিসেবে তামান্নাকে সনদ, সম্মাননা স্মারক ও নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক শিশির চৌধুরী জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে অনুষ্ঠানের পরিসর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছিল। তবে সকল সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে একজন গুণী আলোকচিত্রীকে পুরস্কৃত করতে পেরে তারা আনন্দিত।
উল্লেখ্য, ঢাকা অপেরার পৃষ্ঠপোষকতা ও এজেন্সি পারস্পেক্টিভ-এর সহযোগিতায় এই ১৪তম আসরটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
আলোকচিত্রের সৃজনশীল আঙিনায় নারায়ণগঞ্জের নাম উজ্জ্বল করলেন তরুণ আলোকচিত্রী তামান্না মেহেরুন। ‘দ্য টেল অব হেল’ (উপশমের গল্প) শিরোনামে একগুচ্ছ অনবদ্য আলোকচিত্রের জন্য তিনি সম্মানজনক ‘ফটোফি বর্ষসেরা আলোকচিত্রী ২০২৫’ পুরস্কার অর্জন করেছেন।
বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরের বাতিঘরে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাঁর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ফাইন আর্ট ফটোগ্রাফি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘ফটোফি একাডেমি অব ফাইন আর্ট ফটোগ্রাফি’ গত ১৪ বছর ধরে প্রতিশ্রুতিশীল আলোকচিত্রীদের এই স্বীকৃতি প্রদান করে আসছে।
পুরস্কার প্রাপ্তির পর তামান্না মেহেরুন তাঁর অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, "প্রতিটা মানুষের মনের গহীন অরণ্যে একটা একান্ত ঘর থাকে। জীবনের নানা অস্থিরতার মাঝে প্রকৃতির ঝরা পাতারা আমাকে নিরাময় দেয়। সেই গভীর উপলব্ধি থেকেই এই ছবিগুলোর জন্ম।"
নারায়ণগঞ্জের এই মেধাবী তরুণী মার্কেটিংয়ে স্নাতক শেষ করার পর বর্তমানে দেশের স্বনামধন্য ফটোগ্রাফি স্কুল ‘কাউন্টার ফটো’তে প্রফেশনাল ডিপ্লোমা করছেন। তাঁর এই শৈল্পিক অর্জনে নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল মহলে আনন্দের আমেজ বিরাজ করছে।
অনুষ্ঠানে তামান্নার হাতে পুরস্কার তুলে দেন বরেণ্য আলোকচিত্রী মোহাম্মদ রকিবুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের যুগ্ম পরিচালক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, আলোকচিত্রী মো. কাউছার হাবিব সোমেল এবং ফটোফির প্রতিষ্ঠাতা সুদীপ্ত সালাম। বিজয়ী হিসেবে তামান্নাকে সনদ, সম্মাননা স্মারক ও নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক শিশির চৌধুরী জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে অনুষ্ঠানের পরিসর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছিল। তবে সকল সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে একজন গুণী আলোকচিত্রীকে পুরস্কৃত করতে পেরে তারা আনন্দিত।
উল্লেখ্য, ঢাকা অপেরার পৃষ্ঠপোষকতা ও এজেন্সি পারস্পেক্টিভ-এর সহযোগিতায় এই ১৪তম আসরটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
লোড হচ্ছে...