নারায়ণগঞ্জ
তোশকে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
ফতুল্লায় অপহরণের পর ব্যবসায়ীকে হত্যা
NewsView5

নিউজিভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মো. মোতালেব হোসেন (৬১) নামে এক বিকাশ এজেন্ট ও লাইব্রেরি ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর তার মরদেহ তোশকে মোড়িয়ে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার জামতলা হাজী ব্রাদার্স রোডের এমপি গলি সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মোতালেব হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার শিবপুর গ্রামের মৃত ছলেমান মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর গোরস্থান এলাকার একটি বহুতল ভবনে বসবাস করছিলেন। মাসদাইর বাজারে সুমাইয়া টেলিকম অ্যান্ড বুক নামে একটি দোকানে লাইব্রেরির পাশাপাশি বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানায়, বুধবার (১ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে মোতালেব হোসেন বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে রাতেই ফতুল্লা মডেল থানায় জিডি করা হয়।
বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়রা সড়কের পাশে তোশকে মোড়ানো একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
নিহতের শ্যালক কামাল বলেন, "আমরা সারাদিন তাকে খুঁজেছি। রাতে থানায় জিডি করেছি। সকালে খবর পেয়ে এসে দেখি তোশকের মধ্যে মোড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে আছে। আমরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মরদেহে নির্যাতনের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের দাগ রয়েছে। এছাড়া শ্বাসরোধ করে হত্যার পাশাপাশি গরম পানির ছ্যাঁকা দেওয়ারও আলামত মিলেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার আগে তাকে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার জামতলা হাজী ব্রাদার্স রোডের এমপি গলি সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত মোতালেব হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার শিবপুর গ্রামের মৃত ছলেমান মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর গোরস্থান এলাকার একটি বহুতল ভবনে বসবাস করছিলেন। মাসদাইর বাজারে সুমাইয়া টেলিকম অ্যান্ড বুক নামে একটি দোকানে লাইব্রেরির পাশাপাশি বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানায়, বুধবার (১ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে মোতালেব হোসেন বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে রাতেই ফতুল্লা মডেল থানায় জিডি করা হয়।
বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়রা সড়কের পাশে তোশকে মোড়ানো একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
নিহতের শ্যালক কামাল বলেন, "আমরা সারাদিন তাকে খুঁজেছি। রাতে থানায় জিডি করেছি। সকালে খবর পেয়ে এসে দেখি তোশকের মধ্যে মোড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে আছে। আমরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মরদেহে নির্যাতনের একাধিক চিহ্ন পাওয়া গেছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের দাগ রয়েছে। এছাড়া শ্বাসরোধ করে হত্যার পাশাপাশি গরম পানির ছ্যাঁকা দেওয়ারও আলামত মিলেছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যার আগে তাকে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
এসআই রফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
লোড হচ্ছে...