খেলা
দলীয় সংগ্রহ ২৭৮
লিটনের সেঞ্চুরিতে বিপর্যয় কাটাল বাংলাদেশ
NewsView

রান নিতে ছুটছেন লিটন ও তাইজুল
নিউজভিউ ডেস্ক
৩৮.২ ওভার, বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ১১৬। স্কোরবোর্ডের এই চেহারাতেই স্পষ্ট, আজ শুরু সিলেট টেস্টের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ছিল পাকিস্তানি বোলারদের দাপট। তবে সেই দাপটের বিপরীতে দাঁড়িয়েই সেঞ্চুরি করেছেন লিটন দাস। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের গল্পটা এখানেই শেষ। কারণ, তার সেঞ্চুরির পরও পুরো দল মিলে সংগ্রহ মাত্র ২৭৮। অন্যদিকে, বিনা উইকেটে ২১ রানে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান।
সকালে সিলেটে টস ভাগ্য জিতেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। সবুজাভ উইকেটে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি তাকে। তার আমন্ত্রণেই বিপাকে বাংলাদেশ দল। দিনের তৃতীয় সেশনে ৭৭ ওভারে অলআউট হয় ২৭৮ রানে। ১২৬ রানের ইনিংস উপহার দেন লিটন দাস।
দিনের প্রথম দুই সেশনে ৩টি করে মোট ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষ সেশনের শুরুতে হারায় আরেকটি। সাজঘরে ফেরা সাত ব্যাটারের কেউ পেরুতে পারেনি ৩০ রান। উইকেটে টিকে থাকা লিটনের ব্যাটে কার্যত ২০০ ছাড়িয়ে যায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশ টেস্টের প্রথম সকাল শেষ করে ৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। দলের রানের খাতা খোলার আগেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন তিনি। সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে থামেন তানজিদ হাসান তামিম (২৬) এবং মুমিনুল হক (২২)। তানজিদ আব্বাসের দ্বিতীয় শিকার হন। মুমিনুলের উইকেট নেন খুররাম শেহজাদ।
ঢাকার পারফর্ম ধরে রাখতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। থামেন ২৯ রানে। টাইগার অধিনায়কও আব্বাসের শিকার বনেন। দ্বিতীয় সেশনে শান্তর পর মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহিম (২৩) এবং মেহেদি হাসান মিরাজ (৪)। দুজনকেই আউট করেন খুররাম শেহজাদ।
চা-বিরতির পর পথ হারান তাইজুল ইসলামও। তাকে বোল্ড করে শিকারির খাতায় নাম যোগ করেন সাজিদ খান। ইনিংসের ৭১তম ওভারে খুররামে বলে বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি উদযাপনে করেন লিটন। পরের বলেই মারেন বিশাল এক ছক্কা। তার আগেই আউট হন তাসকিন আহমেদ (৭)। তিনি খুররামের চতুর্থ শিকার হন।
৭৭তম ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস থামিয়ে দেন হাসান আলি। ম্যাচের শুরুতেই আঘাত পাওয়া এই পেসার দ্বিতীয় বলে ক্যাচ বানান লিটনকে। এরপর ওভারের শেষ বলে নাহিদ রানাকে (০) উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান।
৩৮.২ ওভার, বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ১১৬। স্কোরবোর্ডের এই চেহারাতেই স্পষ্ট, আজ শুরু সিলেট টেস্টের প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ছিল পাকিস্তানি বোলারদের দাপট। তবে সেই দাপটের বিপরীতে দাঁড়িয়েই সেঞ্চুরি করেছেন লিটন দাস। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের গল্পটা এখানেই শেষ। কারণ, তার সেঞ্চুরির পরও পুরো দল মিলে সংগ্রহ মাত্র ২৭৮। অন্যদিকে, বিনা উইকেটে ২১ রানে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান।
সকালে সিলেটে টস ভাগ্য জিতেন পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদ। সবুজাভ উইকেটে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি তাকে। তার আমন্ত্রণেই বিপাকে বাংলাদেশ দল। দিনের তৃতীয় সেশনে ৭৭ ওভারে অলআউট হয় ২৭৮ রানে। ১২৬ রানের ইনিংস উপহার দেন লিটন দাস।
দিনের প্রথম দুই সেশনে ৩টি করে মোট ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষ সেশনের শুরুতে হারায় আরেকটি। সাজঘরে ফেরা সাত ব্যাটারের কেউ পেরুতে পারেনি ৩০ রান। উইকেটে টিকে থাকা লিটনের ব্যাটে কার্যত ২০০ ছাড়িয়ে যায় স্বাগতিকরা। বাংলাদেশ টেস্টের প্রথম সকাল শেষ করে ৩ উইকেটে ১০১ রান নিয়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। দলের রানের খাতা খোলার আগেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন তিনি। সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে থামেন তানজিদ হাসান তামিম (২৬) এবং মুমিনুল হক (২২)। তানজিদ আব্বাসের দ্বিতীয় শিকার হন। মুমিনুলের উইকেট নেন খুররাম শেহজাদ।
ঢাকার পারফর্ম ধরে রাখতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। থামেন ২৯ রানে। টাইগার অধিনায়কও আব্বাসের শিকার বনেন। দ্বিতীয় সেশনে শান্তর পর মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহিম (২৩) এবং মেহেদি হাসান মিরাজ (৪)। দুজনকেই আউট করেন খুররাম শেহজাদ।
চা-বিরতির পর পথ হারান তাইজুল ইসলামও। তাকে বোল্ড করে শিকারির খাতায় নাম যোগ করেন সাজিদ খান। ইনিংসের ৭১তম ওভারে খুররামে বলে বাউন্ডারি মেরে সেঞ্চুরি উদযাপনে করেন লিটন। পরের বলেই মারেন বিশাল এক ছক্কা। তার আগেই আউট হন তাসকিন আহমেদ (৭)। তিনি খুররামের চতুর্থ শিকার হন।
৭৭তম ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস থামিয়ে দেন হাসান আলি। ম্যাচের শুরুতেই আঘাত পাওয়া এই পেসার দ্বিতীয় বলে ক্যাচ বানান লিটনকে। এরপর ওভারের শেষ বলে নাহিদ রানাকে (০) উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানান।
লোড হচ্ছে...