নারায়ণগঞ্জসদর
ফুটপাত মুক্ত করার পর আবারও দখল না হওয়া নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ: রবিউর রাব্বি
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় চাঞ্চল্যকর তথ্য ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে নগরভবনের মিলনায়তনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় নাগরিক আন্দোলনের নেতা রফিউর রাব্বি ফুটপাত দখলের নেপথ্যে থাকা অবৈধ অর্থ লেনদেন এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবকে প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করেন। নাটকীয়তা বর্জন করে নগরীর দীর্ঘদিনের এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর জোর দেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই রফিউর রাব্বি দাবি করেন যে ফুটপাতে হকাররা কোনো নিয়ম ছাড়াই বসতে পারে না। তার ভাষ্যমতে পুলিশ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের টাকা দিয়েই তারা রাজপথ দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করে। তিনি বলেন, যে হকারদের প্রতি তারা নির্দয় নন কিন্তু পথের ওপর প্রথম অধিকার হচ্ছে পথচারী তথা সাধারণ নাগরিকদের। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হলে ফুটপাত হকারমুক্ত করাকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় জরুরি কাজ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ যে হকারদের জন্য একটি বড় আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠছে এবং বানভাসি মানুষরা কেন এখানে ভিড় জমায় তার একটি বিস্তারিত চিত্রও তিনি তুলে ধরেন।
হকারদের সংখ্যা ৪৫০ থেকে বেড়ে এখন কয়েক হাজারে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে রাব্বি বলেন, যে অতীতে পুনর্বাসনের জন্য করা মার্কেটগুলোতে দোকান পাওয়ার পর অনেকে সেগুলো কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি করে আবারও ফুটপাতে ফিরে এসেছেন। এমনকি গ্রামের স্বজনদের এনেও ফুটপাতে চটি বিছাইয়ে ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। তার মতে পুনর্বাসন একটি গৌণ বিষয় কিন্তু ফুটপাত মুক্ত করার পর সেটি আবারও যাতে দখল না হয় তা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে একটি শক্তিশালী মাস্টার প্ল্যান এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকান্তিক সদিচ্ছার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় প্রায় সব রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলামের মাওলানা আব্দুল আউয়াল সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ এবং সিপিবির মন্টু চন্দ্র ঘোষ। এছাড়া বিএনপি জামায়াতে ইসলামী বাসদ ও গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা এই কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা একমত হন যে জনবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণে নাগরিকদের সমর্থন সব সময় থাকবে তবে পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে স্থায়ী আইনি কাঠামো তৈরি করা জরুরি।
নারায়ণগঞ্জের ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং নাগরিকদের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় চাঞ্চল্যকর তথ্য ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে নগরভবনের মিলনায়তনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় নাগরিক আন্দোলনের নেতা রফিউর রাব্বি ফুটপাত দখলের নেপথ্যে থাকা অবৈধ অর্থ লেনদেন এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবকে প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করেন। নাটকীয়তা বর্জন করে নগরীর দীর্ঘদিনের এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ওপর জোর দেন তিনি।
বক্তব্যের শুরুতেই রফিউর রাব্বি দাবি করেন যে ফুটপাতে হকাররা কোনো নিয়ম ছাড়াই বসতে পারে না। তার ভাষ্যমতে পুলিশ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের টাকা দিয়েই তারা রাজপথ দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করে। তিনি বলেন, যে হকারদের প্রতি তারা নির্দয় নন কিন্তু পথের ওপর প্রথম অধিকার হচ্ছে পথচারী তথা সাধারণ নাগরিকদের। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হলে ফুটপাত হকারমুক্ত করাকে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় জরুরি কাজ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ যে হকারদের জন্য একটি বড় আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠছে এবং বানভাসি মানুষরা কেন এখানে ভিড় জমায় তার একটি বিস্তারিত চিত্রও তিনি তুলে ধরেন।
হকারদের সংখ্যা ৪৫০ থেকে বেড়ে এখন কয়েক হাজারে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে রাব্বি বলেন, যে অতীতে পুনর্বাসনের জন্য করা মার্কেটগুলোতে দোকান পাওয়ার পর অনেকে সেগুলো কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি করে আবারও ফুটপাতে ফিরে এসেছেন। এমনকি গ্রামের স্বজনদের এনেও ফুটপাতে চটি বিছাইয়ে ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। তার মতে পুনর্বাসন একটি গৌণ বিষয় কিন্তু ফুটপাত মুক্ত করার পর সেটি আবারও যাতে দখল না হয় তা নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে একটি শক্তিশালী মাস্টার প্ল্যান এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকান্তিক সদিচ্ছার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় প্রায় সব রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলামের মাওলানা আব্দুল আউয়াল সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ এবং সিপিবির মন্টু চন্দ্র ঘোষ। এছাড়া বিএনপি জামায়াতে ইসলামী বাসদ ও গণসংহতি আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা এই কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন। বক্তারা একমত হন যে জনবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণে নাগরিকদের সমর্থন সব সময় থাকবে তবে পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে স্থায়ী আইনি কাঠামো তৈরি করা জরুরি।
লোড হচ্ছে...