জাতীয়
হাতিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ ‘সঠিক নয়’
NewsView

নিউজভিউ
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ছড়িয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ার জেরে এক নারীকে (৩২) ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পাঠানো হয়। তদন্ত শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে সেখানে ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত আশ্রয়ণ প্রকল্পে একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, যার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হয়েছে, তিনি কথিত ঘটনার দুই ঘণ্টা আগে থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে পুলিশ স্পষ্ট করেছে যে, এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তাঁরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
এর আগে শনিবার দুপুরে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ওই নারী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁকে নিজ ঘরে বেঁধে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গাইনি বিভাগে ভর্তি করে।
বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উত্তাপ ছড়ালে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন রনি বলেন, “সারাদিন যে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এই প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।” তিনি প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
ভোট পরবর্তী সময়ে এমন স্পর্শকাতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ছড়িয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে শাপলা কলি প্রতীকে ভোট দেওয়ার জেরে এক নারীকে (৩২) ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পাঠানো হয়। তদন্ত শেষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে সেখানে ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মূলত আশ্রয়ণ প্রকল্পে একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও উল্লেখ করেন, যার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হয়েছে, তিনি কথিত ঘটনার দুই ঘণ্টা আগে থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে পুলিশ স্পষ্ট করেছে যে, এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তাঁরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
এর আগে শনিবার দুপুরে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ওই নারী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন যে, তাঁকে নিজ ঘরে বেঁধে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গাইনি বিভাগে ভর্তি করে।
বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উত্তাপ ছড়ালে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন রনি বলেন, “সারাদিন যে সংবাদটি প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এই প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে।” তিনি প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
ভোট পরবর্তী সময়ে এমন স্পর্শকাতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
লোড হচ্ছে...