জাতীয়
অবশেষে জুলাই সনদে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করছে এনসিপি
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও রাজনৈতিক পর্যালোচনার পর অবশেষে রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকারনামা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় গিয়ে এই সনদে সংহতি জানাবে। এনসিপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল আজ সন্ধ্যা ৬টায় যমুনায় পৌঁছাবে। এই প্রতিনিধি দলে থাকছেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মূসা, এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন ও জাবেদ রাসিন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং দেশের ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা এই সনদে স্বাক্ষর করলেও জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের এই দলটি তখন স্বাক্ষর করেনি। দীর্ঘ চার মাস পর দলটির এই সিদ্ধান্তের পেছনে আইনি ভিত্তি ও জনরায়ের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন গণমাধ্যমকে জানান, অক্টোবরে যখন এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়, তখন এর আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা ছিল। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সংসদীয় ভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার মাধ্যমে সংস্কারের আইনি ভিত্তি এবং জনরায় নিশ্চিত হয়েছে। জনগণের এই ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এনসিপি এখন সনদে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপির এই স্বাক্ষরের ফলে জুলাই সনদের সংস্কার প্রক্রিয়া আরও জোরালো হবে। বিশেষ করে নতুন সংসদে দলটির যে ৬ জন প্রতিনিধি রয়েছেন, এই সনদে স্বাক্ষরের ফলে তাঁদের আইনি সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যতে সংস্কারবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে তাঁরা আইনি সুরক্ষা পাবেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও রাজনৈতিক পর্যালোচনার পর অবশেষে রাষ্ট্র সংস্কারের অঙ্গীকারনামা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় গিয়ে এই সনদে সংহতি জানাবে। এনসিপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল আজ সন্ধ্যা ৬টায় যমুনায় পৌঁছাবে। এই প্রতিনিধি দলে থাকছেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মূসা, এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন ও জাবেদ রাসিন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং দেশের ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা এই সনদে স্বাক্ষর করলেও জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের এই দলটি তখন স্বাক্ষর করেনি। দীর্ঘ চার মাস পর দলটির এই সিদ্ধান্তের পেছনে আইনি ভিত্তি ও জনরায়ের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন গণমাধ্যমকে জানান, অক্টোবরে যখন এই সনদ স্বাক্ষরিত হয়, তখন এর আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা ছিল। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সংসদীয় ভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার মাধ্যমে সংস্কারের আইনি ভিত্তি এবং জনরায় নিশ্চিত হয়েছে। জনগণের এই ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এনসিপি এখন সনদে স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এনসিপির এই স্বাক্ষরের ফলে জুলাই সনদের সংস্কার প্রক্রিয়া আরও জোরালো হবে। বিশেষ করে নতুন সংসদে দলটির যে ৬ জন প্রতিনিধি রয়েছেন, এই সনদে স্বাক্ষরের ফলে তাঁদের আইনি সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যতে সংস্কারবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে তাঁরা আইনি সুরক্ষা পাবেন।
লোড হচ্ছে...