আন্তর্জাতিক
ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলো ইরান
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে রণকৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় বন্ধ করে দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও সংবাদ সংস্থা বিবিসির তথ্যমতে, এই জলপথের ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)-এর বরাত দিয়ে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, এখন থেকে সশস্ত্র বাহিনী এই পুরো এলাকাটি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করবে। আইআরজিসির বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘পূর্বের অবস্থায়’ ফিরে যাওয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও গত কয়েক দিনে কিছু জাহাজ এই রুট দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে, তবে ইরানের নতুন এই ঘোষণার পর ঠিক কী পরিমাণ যান চলাচল করতে পারবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে ‘জলদস্যুতা’র দায়ে অভিযুক্ত করেছে ইরান। তেহরানের দাবি, ওয়াশিংটন যে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে তা মূলত আন্তর্জাতিক নৌপথে ডাকাতির শামিল। ইরান এর আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ ও চাপ অব্যাহত থাকলে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ করে দেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের মোট খনিজ তেলের একটি বিশাল অংশ এই সরু প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরানের এই কঠোর অবস্থানের ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হলো।
মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে রণকৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় বন্ধ করে দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও সংবাদ সংস্থা বিবিসির তথ্যমতে, এই জলপথের ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)-এর বরাত দিয়ে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, এখন থেকে সশস্ত্র বাহিনী এই পুরো এলাকাটি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করবে। আইআরজিসির বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘পূর্বের অবস্থায়’ ফিরে যাওয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও গত কয়েক দিনে কিছু জাহাজ এই রুট দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে, তবে ইরানের নতুন এই ঘোষণার পর ঠিক কী পরিমাণ যান চলাচল করতে পারবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে ‘জলদস্যুতা’র দায়ে অভিযুক্ত করেছে ইরান। তেহরানের দাবি, ওয়াশিংটন যে অবরোধ আরোপ করে রেখেছে তা মূলত আন্তর্জাতিক নৌপথে ডাকাতির শামিল। ইরান এর আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ ও চাপ অব্যাহত থাকলে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্য বন্ধ করে দেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের মোট খনিজ তেলের একটি বিশাল অংশ এই সরু প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ইরানের এই কঠোর অবস্থানের ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হলো।
লোড হচ্ছে...