নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ভোটের লড়াইয়ে ৫৭ প্রার্থী
NewsView

এস এম সামিতুল হাসান নিরাক
উৎসবমুখর ও টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার আনুষ্ঠানিকতা। সোমবার ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এদিন দুপুর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ছিল রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর। জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে সব মিলিয়ে ৫৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কৌশলগত কারণে বিএনপি কয়েকটি আসনে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দিয়েছে। সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনী মাঠ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির জানান, জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৯১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, যার মধ্যে ৫৭ জন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ৮ জন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ১০ জন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১১ জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৫ জন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-১
এ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল হোসেন। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা (জামায়াতে ইসলামী), মো. ইমদাদুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন), মো. রেহান আফজাল (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ), মো. মনিরুজ্জামান চন্দন (কমিউনিস্ট পার্টি), ওয়াসিম উদ্দিন (গণঅধিকার পরিষদ) এবং আ. কাইয়ুম শিকদার (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ)।
নারায়ণগঞ্জ-২
এ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তবে দলের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও রয়েছেন— মো. ইলিয়াস মোল্লা (জামায়াতে ইসলামী), মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন), হাফিজুল ইসলাম (কমিউনিস্ট পার্টি), মো. আবুল কালাম (খেলাফত মজলিশ), মো. আবু হানিফ হৃদয় (বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি)। স্বতন্ত্র হিসেবে আরও লড়ছেন মো. আতাউর রহমান খান, মিনহাজুর রহমান ও আব্দুল আউয়াল।
নারায়ণগঞ্জ-৩
এ আসনে বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান ধানের শীষের মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। এছাড়াও এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন— গোলাম মসীহ (ইসলামী আন্দোলন), ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া (জামায়াতে ইসলামী), অঞ্জন দাস (গণসংহতি আন্দোলন), মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী (গণঅধিকার পরিষদ), মুহা. শাহজাহান (খেলাফত মজলিস), আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন) এবং আরিফুল ইসলাম (এবি পার্টি)।
নারায়ণগঞ্জ-৪
এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসাইন কাসেমী। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম। অন্যদিকে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী এবার বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এছাড়াও রয়েছেন— সেলিম মাহমুদ (বাসদ), ইকবাল হোসেন (কমিউনিস্ট পার্টি), মুফতি ইসমাইল কাউসার (ইসলামী আন্দোলন), আব্দুল্লাহ আল আমিন (এনসিপি), মো. আরিফ ভূইয়া (গণঅধিকার পরিষদ) এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ফাতেমা মনির।
নারায়ণগঞ্জ-৫
শহরের এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে এই আসনেই বিএনপির বর্তমান মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এছাড়াও প্রার্থী হয়েছেন— তরিকুল ইসলাম সুজন (গণসংহতি আন্দোলন), মুফতি মাসুম বিল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন), এবিএম সিরাজুল মামুন (খেলাফত মজলিশ), মন্টু চন্দ্র ঘোষ (কমিউনিস্ট পার্টি), আবু নাঈম খান বিপ্লব (বাসদ), মো. নাহিদ হোসেন (গণঅধিকার পরিষদ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন।
আগামী দিনগুলোতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
উৎসবমুখর ও টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে শেষ হলো আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার আনুষ্ঠানিকতা। সোমবার ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। এদিন দুপুর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ছিল রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পদচারণায় মুখর। জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে সব মিলিয়ে ৫৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কৌশলগত কারণে বিএনপি কয়েকটি আসনে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দিয়েছে। সব মিলিয়ে নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনী মাঠ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রায়হান কবির জানান, জেলার পাঁচটি আসনে মোট ৯১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, যার মধ্যে ৫৭ জন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ৮ জন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে ১০ জন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১১ জন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ১৫ জন এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ-১
এ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল হোসেন। অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা (জামায়াতে ইসলামী), মো. ইমদাদুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন), মো. রেহান আফজাল (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ), মো. মনিরুজ্জামান চন্দন (কমিউনিস্ট পার্টি), ওয়াসিম উদ্দিন (গণঅধিকার পরিষদ) এবং আ. কাইয়ুম শিকদার (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ)।
নারায়ণগঞ্জ-২
এ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তবে দলের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও রয়েছেন— মো. ইলিয়াস মোল্লা (জামায়াতে ইসলামী), মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন), হাফিজুল ইসলাম (কমিউনিস্ট পার্টি), মো. আবুল কালাম (খেলাফত মজলিশ), মো. আবু হানিফ হৃদয় (বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি)। স্বতন্ত্র হিসেবে আরও লড়ছেন মো. আতাউর রহমান খান, মিনহাজুর রহমান ও আব্দুল আউয়াল।
নারায়ণগঞ্জ-৩
এ আসনে বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান ধানের শীষের মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। এছাড়াও এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন— গোলাম মসীহ (ইসলামী আন্দোলন), ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া (জামায়াতে ইসলামী), অঞ্জন দাস (গণসংহতি আন্দোলন), মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী (গণঅধিকার পরিষদ), মুহা. শাহজাহান (খেলাফত মজলিস), আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন) এবং আরিফুল ইসলাম (এবি পার্টি)।
নারায়ণগঞ্জ-৪
এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসাইন কাসেমী। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম। অন্যদিকে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী এবার বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। এছাড়াও রয়েছেন— সেলিম মাহমুদ (বাসদ), ইকবাল হোসেন (কমিউনিস্ট পার্টি), মুফতি ইসমাইল কাউসার (ইসলামী আন্দোলন), আব্দুল্লাহ আল আমিন (এনসিপি), মো. আরিফ ভূইয়া (গণঅধিকার পরিষদ) এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ফাতেমা মনির।
নারায়ণগঞ্জ-৫
শহরের এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে এই আসনেই বিএনপির বর্তমান মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং ব্যবসায়ী আবু জাফর আহমেদ বাবুল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এছাড়াও প্রার্থী হয়েছেন— তরিকুল ইসলাম সুজন (গণসংহতি আন্দোলন), মুফতি মাসুম বিল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন), এবিএম সিরাজুল মামুন (খেলাফত মজলিশ), মন্টু চন্দ্র ঘোষ (কমিউনিস্ট পার্টি), আবু নাঈম খান বিপ্লব (বাসদ), মো. নাহিদ হোসেন (গণঅধিকার পরিষদ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন।
আগামী দিনগুলোতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
লোড হচ্ছে...